পাতা:লক্ষণ সেন - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/২৫০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২8৬ লক্ষণ-সেন । SAAAAAA AAAA AAASS SAMeMAAASAASAASAASAA AAJ পৰ্ব্বতে ভৈরবনাথের কোনও মন্দির নাই। পৰ্ব্বত-গাত্রে, গিরি-গুহাভ্যন্তরে, মহাদেবের লিঙ্গমূৰ্ত্তি বিদ্যমান। নিকটে জনস্থলী নাই,--লোকের সমাগম নাই। নিভৃত সেই পৰ্ব্বত-কদরে গিরিগুহাভ্যন্তরে ভৈরবানন্দ স্বামী নামক জনৈক সাধু পুরুষ ভৈরবনাথের সেবায় ব্ৰতী আছেন। পৰ্ব্বতগাত্রে আম্র-পনস-বিস্ব প্রভৃতি অসংখ্য বৃক্ষে অপৰ্য্যাপ্ত সুস্বাদু ফল উৎপন্ন হয়। প্রকৃতি-প্রদত্ত সেই ফল-মূলে ভৈরবেশ্বরের পূজা এবং ভৈরব-স্বামীর ও তাহার শিষ্যমণ্ডলীর পরিতৃপ্তি-সাধন হইয়া থাকে। অল্প-সংস্থানের জন্য র্তাহাদিগকে প্রায়ই লোকলয়ে যাইতে হয় না। সেই পৰ্ব্বত-গাত্রোৎপন্ন ফল-মূলই তাহাদের জীবন-ধারণের পক্ষে যথেষ্ট। ভৈরবনাথের গুহ্যমন্দির-সন্নিধানে, পৰ্ব্বতের উপর অগ্নিকুণ্ডে অগ্নি প্রজ্বলিত ছিল । সেই অনল-শিখায় সমস্ত পৰ্ব্বত-গাত্র, এমন কি-গুহাভ্যস্তর পর্য্যন্ত আলোকিত করিয়া রাখিয়াছিল । দিবসে সেই গুহার পাশ্বে মৃগশিশুগণ নিঃশঙ্কে বিচরণ করিত ;–কত ময়ুর-ময়ূরী আনন্দে নাচিয় বেড়াইত। রাত্রিতে এখনও তাহার দৃষ্টি-পথ-বহির্ভূত নহে। আলোণ-রশ্মি দেখিয়া হিংস্ৰজন্তুগণ দূরে পলায়ন করিয়াছে বুঝিয়া, তাহার এখন পৰ্ব্বত-গাত্রে বিশ্রাম-মুখ উপভোগ করিতেছে। বীরসিংহকে সঙ্গে লইয়া পথিকদ্বয় ভৈরব-পৰ্ব্বতের গুহামন্দিরে আসিয়া উপস্থিত হইলেন। ভৈরবনাথের সন্ধ্যারতি সমাপনান্তে ভৈরবস্বামী তাহাদের প্রতীক্ষায় বসিয়া ছিলেন। প্রথমে ভৈরবনাথকে পরে ভৈরবস্বামীকে প্রণাম করিয়া পথিকজয় তাহার সম্মুখে দণ্ডায়মান হইলেন।