পাতা:লক্ষণ সেন - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/২৫৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


९ ¢ ९ লক্ষণ-সেন । তিনি বদায়ুনে ও পরিশেষে অযোধ্যা প্রদেশের শাসন-কর্তার অধীনে সৈনিকের কৰ্ম্ম গ্রহণ করেন। তাহার কার্য্য-দক্ষতায় সন্তুষ্ট হইয়া অযোধ্যার শাসনকৰ্ত্তা তাহাকে একটি জায়গীর উপহার দিয়াছিলেন । জায়গীর-প্রাপ্তির অব্যবহিত পরেই তিনি অযোধ্যা-প্রদেশ আপনার করতলগত করিয়া লন । অযোধ্যা-প্রদেশ করতলগত হইলে, বিহার-প্রদেশের ও বঙ্গদেশের প্রতি তাহার লোলুপ-দৃষ্টি সঞ্চালিত হয়। পশ্চিম-উত্তরের অপরাপর প্রদেশের ধন-সম্পৎ তাহার পূর্ববৰ্ত্তী আক্রমণকারিগণ লুণ্ঠন করিয়া লইয়া গিয়াছিলেন। কিন্তু বিহার-প্রদেশে ও বঙ্গদেশে তাহারা কেহই প্রবেশ করিতে পারেন নাই। ঐ দুষ্ট প্রদেশের ধন-ভাণ্ডার তখনও পর্যন্ত অটুট ছিল। সুতরাং ঐ দুই প্রদেশ লুণ্ঠন জন্যই বক্তিয়ার অধিকতর প্রলুব্ধ হইয়াছিলেন । কিন্তু মহারাজ লক্ষ্মণ-সেনের প্রভাবাতিশয্যে বঙ্গ-সাম্রাজ্যের সীমানায় প্রবেশ-লাভ অসম্ভব হইয়া দাড়াইয়াছিল। দুই একবার সৈন্যদল সহ বঙ্গ-সাম্রাজ্যের সীমান। মধ্যে প্রবেশ করিবার চেষ্টা পাইয়া বিফল-মনোরথ হওয়ায় বক্তিয়ার নানা কৌশল-জাল বিস্তার করেন। ইতিপূৰ্ব্বে নূতন-গ্রামের ঘাটে পাঠক যে বজরাধানি দেখিয়াছেন, সে বজরা বক্তিয়ার খিলিজির ষড়যন্ত্র-জাল । বলবন্ত সিংহ অযোধ্য-প্রদেশের সামান্ত একজন তালুকদার ছিলেন। বিশ্বেশ্বর রায় অযোধ্যা-প্রদেশে সৈনিক-বিভাগে কৰ্ম্ম করিতে ন । অর্থসম্পৎ দানে লোভ-প্রদর্শনে বক্তিয়ার প্রথমে উহাদিগকে বীভূত করেন। বিশ্বেশ্বরের পরিচয় পাইয়। বক্তিয়ার বুঝিয়াছিলেন,—উদ্বার সহায়তায় নবদ্বীপ-রাজ্যের পথ-ঘাটের সদ্ধান