পাতা:লক্ষণ সেন - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/২৭৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


२१० লক্ষণ-সেন দ্বিপ্রহরান্তে শুভযোগ ঘটিয়াছে ; তখন স্নানের শুভ মুহূৰ্ত্ত ; সকলেই সেই মুহূর্তের প্রতীক্ষা করিতেছেন। গঙ্গার তীর লোকে লোকীরণ্য। সহরের মধ্যঘাটে দণ্ডায়মান হইয়া উত্তর-দক্ষিণ দুই দিকে দৃষ্টিপাত করিলে, নদী-তীরের জনতার পরিমাণ করা যায় না ! জনশ্রেণী নানারূপে নানা ভাবে শুভমুহূর্তের প্রতীক্ষা করিতেছে। কোথাও কোনও পণ্ডিত পুরাণ পাঠ করিতেছেন ; ভক্তবৃন্দ র্তাহাকে ঘেরিয়া বসিয়া একাগ্রচিত্তে সে পাঠ শুনিতেছেন। কোথাও কেহ শান্তি-স্বস্ত্যয়ন করিতেছেন । কোথাও কেহ শ্ৰাদ্ধতপণ সারিতেছেন। এক স্থানে কতকগুলি সাধু-সন্ন্যাসী দর্শনতত্ত্বালোচনায় প্রবৃত্ত আছেন। তাহীদের পরম্পরের মধ্যে ঘোর বিতর্ক চলিয়াছে। স্ত্রীলোক, বালক, যুবক, বৃদ্ধ,--যাহার প্রাণে যে ভাবের উন্মেষ, স্নানঘাটে তাহার প্রাণে সেই ভাব জাগিয়া উঠিতেছে। রাজবাড়ীর ঘাটে পুরাঙ্গণাগণের জন্য স্বানের স্বতন্ত্র বন্দোবস্ত হইয়াছে। মহারাজ লক্ষ্মণ-সেন একাকী একখানি বজরাতে আরোহণ করিয়া গঙ্গাগর্ভে বসিয়া ইষ্টারাধনা করিতেছেন। যে ঘাটে সাধু-সন্ন্যাপীদিগের বিতর্ক চলিতেছিল, মহারাজের বজরা তাহারই অনতিদূরে অবস্থিতি করিতেছিল। সন্ন্যাসীদের মধ্যে যুক্তি বিষয়ে বিতর্ক চলিতেছিল। বেং কহিতেছিলেন,—“কৰ্ম্মের দ্বারাই মুক্তি হয়। কেহ কহিতে ছিলেন,—‘ভক্তিই যুক্তির একমাত্র সোপান। কেহ কহিতেझिाशन,–लानाशखि । छान डिग्न भूख् िना३।' ७कचन কহিলেন,-“যিনি কৰ্ম্মী পুরুষ, তিনিই মুক্ত।" একজন