পাতা:লক্ষণ সেন - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/২৮৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


९४० লক্ষণ-সেন به نام همسرسیده -محیصحمبهمیی مهمی جمعیت রৌদ্রতাপে গভীর জলে আশ্রয় লইয়াছিল। পদ্মাবতীর কণ্ঠস্বর শুনিয়া তাহার ঘাটের ধারে আসিয়া ধীর স্থির হইয়া রহিল। পদ্মাবতী একে একে সকলকে পরিতোষ-পূৰ্ব্বক আহার করাইলেন। কুকুর, শৃগাল, বিড়াল, পক্ষী—সকলেই সারিসারি দাড়াইয়৷ আহার করিয়৷ চলিয়া গেল। অন্য সময় হইলে ঐ সকল জীবজন্তুর পরস্পরের প্রতি পরস্পরের কতই হিংসা-দ্বেধআক্রোশ প্রকাশ পাইত ! কিন্তু পদ্মাবতীর স্নেহের মিকট সকলেরই সকল কু-প্রবৃত্তি বিলুপ্ত হইল। এ অলৌকিক দৃশ্য যে দেখিল, সে বিন্মিত হইল ; যে মা দেখিল, সে বিশ্বাস করিতে পারিল না। সৰ্ব্বজীবের সকলের আহার শেষ হইলে অপরাহে জয়দেব আহারে বসিতেন। র্তাহার আহার সমাপনান্তে র্তাহার ভুক্তাবশিষ্ট প্রসাদ পদ্মাবতী গ্রহণ করিতেন। আজিও সকলের আহার শেষ করাইয়। জয়দেব আহারে বসিবার উদ্যোগ করিতেছেন ;–পদ্মাবতী পাশ্বে বসিয়া তাহাকে ব্যঞ্জন করিবার জন্য প্রস্তুত হইয়া আছেন। এমন সময়, বহিঃপ্রাঙ্গণ হইতে উচ্চ চীৎকার-ধ্বনি উত্থিত হইল,—‘হর হর বম্ বম ।’ জয়দেবের আর আহারে বসা হইল না। জয়দেব কহিলেন —“পদ্মাবতী ! আহারে বসা হ’ল না। অতিথি এসেছেন। . क्षे ७म-क%श्रद्र !” - অতিথিগণ অসময়ে উপস্থিত হইয়াছেন বলিয়া তাহদের । মনে একটুও বিরক্তির সঞ্চার হইল না। পরস্তু পতি-পত্নী উভয়েরই প্রাণে আনন্দ উছলিয়া উঠিল। জয়দেব কহিলেন,"পদ্মাবতী ! জগবন্ধু কত দয়াময় । অতিথি এসেছেন ! মনে