পাতা:লক্ষণ সেন - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/২৯৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


२२8 লক্ষণ-সেন জানি, সব বুঝি ! কিন্তু দুষ্ট বিষ একবার শরীরে প্রবেশ করিলে, যতই প্রতিকারের উপায়-বিধান করুন না কেন, শরীর হইতে তাহা একেবারে বহির্গত হয় না। এই পুণ্যভূমির পবিত্র ধূলিরাশির মধ্যে তাহাদের স্পর্শে কোন ধূলিকণা অপবিত্র হইবে, আপনার কেহ অনুসন্ধান করিয়া বাহির করিতে পরিবেন কি ? তাই বলি, এখনও আততায়ীর গতিরোধের আদেশ দেন ।’’ রঘুদেব —“ঠাকুর ! ক্ষমা করুন। মহারাজ লক্ষ্মণ-সেনের আদেশ প্রত্যাহার করিবার উপায় নাই।” সন্ন্যাসী শিরে করাঘাত করিতে করিতে কহিলেন,— "হায় !—হায় ! আমি যেখানে যাই, সেখানেই এই কথা! মিথিলায় কত চেষ্টা পাইলাম ! সকলেই একই উত্তর দিল ! বঙ্গদ্বারে প্রবেশের পথে যাহার রক্ষিসৈন্য আছে, তাহাদের নিকটও কত অনুনয়-বিনয় করিলাম ! তাহারাও এই উত্তর দিল । অবশেষে নিরুপায় হইয়া আপনাদের নিকট আসিলাম! আপনারাও সেই উত্তর দিলেন ! হায়!—হায়! গেল!—গেল! —সব গেল !" রঘুদেব বিনীত-স্বরে কহিলেন,—“ঠাকুর । একটু শান্ত হউম ।” সন্ন্যাসী চীৎকার করিয়া কহিলেন,—“আর শাস্ত হইব ! সে দিন যদি থাকিত, শান্ত হইতে পারিতাম ! আপনাদের কাহারও সহায়তার আবশ্যক হইত না। ভৈরব-পৰ্ব্বতের গিরি-সঙ্কটে আমরাই তাহাদিগকে পূৰ্ব্ববং বিধ্বস্ত করিতাম। কিন্তু মহারাঙ্গ লক্ষণ-সেনের ঘোষণা-মাহাস্থ্যে সকল উদ্যোগ