পাতা:লক্ষণ সেন - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৫২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


8b" লক্ষণ-সেন । বলিয়া পুনরায় যত ধূলা, তত টাকা ইত্যাদি প্ৰলাপ-বাক্য । আবৃত্তি করিতে লাগিলেন। ত্ৰিলোচনের ভাব দেখিয়া, কেহ কহিলেন,-“উহার । মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটিয়াছে ; কেহ কহিলেন,—“বেটা কি বদমায়েস। বেটা এখন আবার কেমন পাগলামির ভাণ আরম্ভ । করিয়াছে!’ নানাজনের নানা কথা কর্ণে প্রবেশ করায় ত্রিলোচন উত্তর দিলেন,—“মহাপুরুষ যদি জল হইতে উঠেন, আমি প্ৰলাপ বকিতেছি—কি সত্য বলিতেছি, আপনিই প্রমাণ হইয়৷ যাইবে।” কিন্তু ত্রিলোচনের সে কথায় কেহই কৰ্ণপাত করিল না। সে কথা বাতাসে মিশিয়া গেল । ‘আত্মরক্ষার পক্ষে ত্রিলোচন কোনই উত্তর দিতে পারিল না’-এবম্বিধ সিদ্ধান্তে উপনীত হইয়া বিচারক ত্রিলোচনকে কারাগারে লইয়। যাইতে আদেশ দিলেন। হস্তপদবদ্ধাবস্থায় ত্রিলোচন কারাগারে প্রেরিত হইলেন। যথাসময়ে ত্রিলোচনের দণ্ডাদেশ-পত্র মহারাজ লক্ষ্মণসেনের অনুমোদনের জন্য পাঠান হইল। মহারাজ কর্তৃক সে আদেশ অমুমোদিত হইয়া আসা পর্য্যন্ত ত্রিলোচন কারাগারেই আবদ্ধ রহিলেন । শীঘ্রই ত্রিলোচনের ইহলীলা সাঙ্গ হইবে, ত্রিলোচন তাহারই প্রতীক্ষা করিতে লাগিলেন। ত্ৰিলোচনের যথা-সৰ্ব্বস্ব রাজ-সরকারে বাজেয়াপ্ত হইল। ত্ৰিলোচনের পরিবারবর্গ একরূপ পথের ভিখারী হইলেন।