পাতা:লক্ষণ সেন - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৫৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দ্বাদশ পরিচ্ছেদ । soo পথে । পদ্মাবতীকে সঙ্গে লইয়া পদ্মাবতীর পিতামাত পুরুষোত্তমে পৌছিলেন। পথে প্রায় এক মাস সময় অতিবাহিত হইল। সেই এক মাস কাল যে কত উদ্বেগে—কত বিভীষিকায় কাটিল, তাহার ইয়ত্ত হয় না। দূর পথ। বড়ই দুর্গম। পথে—কত বন, কত উপবন, কত পাহাড়, কত প্রান্তর, কত খালবিল, কত নদনদী ! দূরে মাঝে মাঝে নগর-গ্রাম আছে বটে ; কিন্তু পথের দুর্গমতার মধ্যে তৎসমুদায়ের স্মৃতি আপনিই মলিন হইয়া পড়ে। বিশেষতঃ, পথিপাশ্বস্থিত অধিকাংশ গ্রাম-নগরেই যাত্রিগণকে রাত্রিবাস করিতে হইয়াছিল । সুতরাং তৎসমুদায়ের সহিত পরিচিত হইবার সুযোগ প্রায়ই ঘটে নাই। মাঝে মাঝে আট দশ ক্রোশ অন্তরে এক একটা ‘চাট’ আছে। বনপথ ও মাঠ অতিক্রম করিয়া, যাত্রীরা সেই চটিতে আশ্রয় লয়। চটিগুলি যাত্রীদের আহারের ও বিশ্রামের স্থান। মরুভূমির মধ্যে যেমন বচিৎ কোথাও বৃক্ষলতাদিপূর্ণ উর্বর ক্ষেত্র দৃষ্টিগোচর হয়, সেই দুর্গম পথের মধ্যে চাটগুলি যাত্রীদিগের সেইরূপ আশ্রয়-স্থল মধ্যে পরিগণিত । বাঙ্গালার সীমানা পার হইয়া যাত্ৰিগণ প্রথমে যে চটিতে উপনীত হন, ‘গড়ের চটি' নামে তাহা প্রসিদ্ধ। সেই চটর