পাতা:লক্ষণ সেন - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৫৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পথে । & S. এই চটির পূৰ্ব্ব গায়ে একটা দীর্থিক ছিল। দীর্ঘিকার জল সুনিৰ্ম্মল ও সুস্বাদু। প্রকাও দীর্ঘি কা। দীর্ঘিকা কতকাল হইতে বিদ্যমান, কেহই তাহা ঠিক করিয়া বলিতে পারে না। সাধারণতঃ প্রচার-পাণ্ডবগণ যখন পুরুষোত্তম তীর্থ দর্শনে গমন করিতেছিলেন, সেই সময়ে তাহারা ঐ দীর্থিক। খনন করিয়াছিলেন। দীর্ঘিকার পশ্চিম পাশ্বে গড়ের চট, অপর তিন দিক নিবিড় জঙ্গলে পরিপূর্ণ। প্রবাদ এই যে, সে জঙ্গলে ব্যাঘ্র ভল্লুক-সিংহাদি অনেক হিংস্র জীব বস করে ; কিন্তু তাহার কখনও কোনও মমুষ্যের অনিষ্ট করে ন। দীর্নিকার জলে প্রকাণ্ড দুইটা কুম্ভীর বাস করে ; কিন্তু তাহারাও কখনও কোনও প্রাণীর অনিষ্ট করিয়াছে বলিয়া শুনা যায় নাই। সন্ধ্যার প্রাক্কালে চটিতে যখন যাত্রি-সমাগম হইত, যাত্রীরা চটির চারি দিকে আগুন জ্বালাইয়া রাখিতেন। তাহদের মধ্যের মাতবর ব্যক্তির অথবা রক্ষিগণ জাগিয়া জাগিয়া রাত্রি কাটাইতেন। বিশ্রামের জন্য চটিতে কখনও কখনও দুই এক দিন যাত্রিগণকে অপেক্ষাও করিতে হইত। পদ্মাবতীর পিতামাতা যে দিন গড়ের চটিতে উপনীত হন, যাত্রীর কোলাহলে সে দিন চটি পূর্ণ হইয়াছিল। নবদ্বীপ হইতে শতাধিক যাত্রী পুরুষোত্তমাভিমুখে গমন করে ; তদ্ভিন্ন অন্যান্য স্থান হইতেও অনেক যাত্ৰী আসিয়া উপস্থিত হইয়াছিল। অশ্বথ-বটবৃক্ষের ছায়াতলে ভিন্ন ভিন্ন স্থানে কুণ্ডলী পাকাইয়া যাত্রিদল দলে দলে অবস্থান করিতেছিলেন। নবদ্বীপাধিপতির প্রেরিত যাত্রিরক্ষক প্রহরীরা একদিকে একটা জটলা পাকাইয়া