পাতা:লক্ষণ সেন - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৮৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অষ্টাদশ পরিচ্ছেদ। سسد6S ی(په (صسسه উদ্বেগে । বীরসিংহের প্রাণদণ্ডের আদেশ প্রদান করিয়া মিথিলাধিপতিও নিরুদ্বেগ নহেন। রাজচক্রবর্তী লক্ষ্মণসেনের সহিত বিবাদ তাহাতে অপরিহার্য্য হইয়া পড়িয়াছে। রাজা জয়সিংহ মনে করিয়াছিলেন, দূতকে বন্দী করিলেই লক্ষ্মণ-সেনের সহিত সন্ধি-স্থাপনের পথ প্রশস্ত হইয়া আসিবে । বীরসিংহ-ৰ্তাহার প্রধান সেনাপতি সংগ্রামসিংহের পুত্র ; তাহারও অত্যন্ত প্রিয়পাত্র। সুতরাং বীরসিংহকে বন্দী করিলে, বীরসিংহের প্রাণনাশের আশঙ্কায়,লক্ষ্মণ-সেন নিজেই সন্ধির প্রস্তাব করিয়া পাঠাইবেন। আর, তাহাতে অল্পায়াসেই মিথিলার সহিত নদদ্বীপের বিবাদ মিটিয়া যাইবে। কিন্তু ঘটনাচক্র অন্য পথ পরিগ্রহ করিল। জয়সিংহ যাহা মনে করিয়াছিলেন, ঘটনা-চক্রে তাহার বিপরীত ব্যাপার সংঘটিত হইতে চলিল। বীরসিংহ দরবারে *াড়াইয়া মিথিলাধিপতির অবমাননা করিয়াছেন। রাজ্যের সম্মান-সন্ত্রম অক্ষুণ্ণ রাখিতে হইলে প্রাণদণ্ডই তাহার উচিত শাস্তি । সে ক্ষেত্রে রাজা জয়সিংহ কোনই উপায়াস্তুর গ্রহণ করিতে পারেন না । রাজা জয়সিংহ বন্দীর বিষয় ভাবিতেছেন । এমন সময় রাণী জিজ্ঞাসা করিলেন,—“যে পাত্রের বিষয় বলেছিলেন, তার কি হ’ল ?”