পাতা:লক্ষণ সেন - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৯০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৮৬ | লক্ষণ সেন । দৃঢ় করিবার চেষ্ট করে, ততই মনে পড়ে—পিতামাতার কথা, মনে পড়ে—তাহদের স্নেহ-ভালবাসা । তাহারা পদ্মাবতীগত প্রাণ ! তাহারা পদ্মাবতীকে এক মূহূৰ্ব চক্ষের আড়াল করিতে পারিতেন না। পদ্মাবতীকে ছড়িয়া কেমন করিয়া তাংরি দেশে প্রত্যাগমন করবেন-পদ্মাবতী তাহ ভাবিয়া স্থির করিতে পারিল ন; পদ্মাবতীর মনে হইল,— পদ্মাবতীকে পরিত্যাগ করিয়া তাহার fa ، :مہ যে রূপ ব্যাকুল হইয়াছেন, তাহাতে তঃ হাঃ পদ্মাবতী পন কখনই প্রাণধারণ করিতে পারবেন না। বলিক ভাবিতে লাগিল, —‘তাহারা হয় তো শোকে মুহমান হইয়৷ সাগর ঝ"প দিবেন ;–ৰ্তাহারা হয় তে। আত্মহারা হইয়া, কোথায় কোন বনে-জঙ্গলে প্রবেশ করিয়া, প্রাণ হরাইবেন ? পদ্মাবতীর প্রাণ দুশ্চিন্তায় যতই কাতর হয়, গম্বুবতী যতই চিন্তার কুল-কিনার হারাইয়া ফেলে ;– ততই সে জগবন্ধুর শরণাপন্ন হয় ; ততই সে ডাকে,-"জগবন্ধু! তুমি রক্ষা কর।” ক্রমে রাত্রি প্রভাত হইল । পক্ষিকুল কলকলম্বরে প্রভাতী সঙ্গীতে তান ধরিল। পদ্মাবতীর পিতামাতা পদ্মাবতীকে র্যাহার নিকট রাখিয়া গিয়াছিলেন, তাহার নিদ্রাভঙ্গ হইল। নিদ্রাভঙ্গে উঠিয়া বসিতেই পদতলে তিনি পদ্মাবতীকে দেখিতে পাইলেন । পদপ্রান্তে অজ্ঞতকুলশীল সেই অপরিচিত। বালিকাকে বসিয়া থাকিতে দেখিয়া তিনি কৌতুহলাক্রান্ত হইয়া জিজ্ঞাসা করিলেন- "কে তুমি ? এখানে বসিয়া কেন ?” পদ্মাবতী কোনও উত্তর দিতে পারিল না। সে কেবল অগ্র ভারাবনত নয়নে একদৃষ্ট্রে তাহার মুখের দিকে চাহিয়৷