প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (অষ্টম সম্ভার).djvu/১৭৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পণ্ডিত মশাই ছেলের উপর বরাবরই তাহার ভয়ানক লোভ ছিল, কাহাকেও কোনমতে ७कदांब्र शंटडग्न भ८था *ांहे८ज यांच्च छांख्रिरङ क्रांशिष्ठ मां, किरू चांजिकांब्र प्रऊ ७शन বিশ্বগ্রাসী ক্ষুধার ঝড় বুঝি আর কখনও তাহার মধ্যে উঠে নাই। বুক যেন তাহার ভাঙিয়া ছিড়িয়া পড়িতে লাগিল। এই মনোহর স্বস্থ সবল শিশু তাহারই হইতে পারিত, কিন্তু কেন হইল না ? কে এমন বাদ সাধিল ? সস্তান হইতে জননীকে বঞ্চিত করিবার এত বড় অনধিকার সংসারে কার অাছে ? চরণকে সে যতই নিজের বুকের উপর অহুভব করিতে লাগিল ততই তাহার বঞ্চিত, ভূষিত মাতৃ-হৃদয় কিছুতেই যেন সাম্বন মানিতে চাহিল না। তাহার কেবলই মনে হইতে লাগিল, তার নিজের ধন জোর করিয়া, অন্যায় করিয়! আপরে কাড়িয়া লইয়াছে । কিন্তু চরণের পক্ষে অসন্থ হইয়া উঠিয়াছিল। এমন জানিলে সে বোধ করি নদীতেই জল খাইত । এই স্নেহের পীড়ন হইতে পিপাসা বোধ করি অনেক মুসহ হইতে পারিত। কহিল, ছেড়ে দাও । কুহুম দুই হাতের মধ্যে তাহার মুখখানি লইয়া বলিল, মা বল, তা হলে ছেড়ে দেব । চরণ ঘাড় নাড়িয়া বলিল, না । তা হলে ছেড়ে দেব না, বলিয়া কুষম বুকের মধ্যে আবার চাপিয়া ধরিল। টিপিয়া, পিষিয়া, চুমা খাইয়া তাহাকে স্থাপাইয়া তুলিয়া বলিল, মা না বললে কিছুতেই ছেড়ে দেবো না ! চরণ র্কাদ কঁদি হইয়া বলিল, মা । ইহার পরে ছাড়িয়া দেওয়া কুম্বমের পক্ষে একেবারে অসম্ভব হইয়া উঠিল। আর একবার তাহাকে বুকে চাপিয়া ধরিয়া কাদিতে লাগিল। বিলম্ব হইতেছিল। বাহির হইতে বৃন্দাবন কহিল, তোর জল খাওয়া হ’ল রে চরণ ? চরণ কাদিয়া বলিল, ছেড়ে দেয় না যে। কুষম চোখ মুছিয়া ভাঙা-গলায় কহিল, আজ চরণ আমার কাছে থাক । বৃন্দাবন দ্বারের সন্নিকটে আসিয়া বলিল, ও থাকতে পারবে কেন ? তা ছাড়া এখনও খায়নি, মা বড় ব্যস্ত হবেন । কুক্ষম তেমনিভাবে জৰাব দিল, ন, ও থাকবে। আজ আমার বড় মন খারাপ হয়ে জাছে ! মন খারাপ কেন ? কুষম সে-কথার উত্তর দিল না । %**