প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (অষ্টম সম্ভার).djvu/২১০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


*द्भ९-नांश्डि7-गर¢ई এ ভার আমাকে দিয়ে গেছেন, আমিও যদি কখন তেমন করে দিতে পারি, তবেই দেব, না হলে আমারই থাক। কিন্তু, তোরা যা । বৃন্দাবন উদ্বিগ্ন মুখে কহিল, এই সময়ে কি করে তোমাকে একা রেখে যাব, মা ? ५ब्र युनि- f মা একটু হাসিলেন। বলিলেন, সে ত স্বসময় বাবা । তখন জানব, আমার কাজ শেষ হবেচে, ঠাকুর তার ভার অপরকে দিতে চান। তাই হোক বৃন্দাবন, আমার আশীৰ্ব্বাদ নিয়ে তোরা নিৰ্ভয়ে ষা, আমি ঠাকুর-ঘর নিয়ে স্বচ্ছন্দে থাকতে পারব । জননীর অবিচলিত কণ্ঠস্বরে অক্ষত্র পালাইবার আশা বৃন্দাবনের তিরোহিত হইয়া গেল। কয়েক মুহূৰ্ত্ত ভাবিয়া লইয়া সেও দৃঢ়স্বরে কহিল, তা হলে আমারও যাওয়া হবে না । তোমার ঠাকুর আছেন, আমারও মা আছেন। নিজের জন্ত আমি এতটুকু ভয় পাইনি মা, শুধু চরণের মুখের দিকে চাইলেই আমি থাকতে পারিনে। কিন্তু যাওয়া যখন কোনমতেই হতে পারে না, তখন আজ থেকে তাকে ঠাকুরের পায়ে সঁপে দিয়েই নিশ্চিত হয়ে নিৰ্ভয়ে থাকব। এখন থেকে আর তুমি আমার শুকনো মুখ দেখতে পাবে না মা । তারিণী মুখুয্যের ছোটছেলে মরিয়াছে। পরদিন সকালবেল বৃন্দাবন কি কাজে ঐ দিক দিয়া আসিতেছিল, দেখিতে পাইল, তাহদের পুকুরের ঘাটের উপরেই একটি স্ত্রীলোক কতগুলি কাপড়-চোপড় কাচিতেছে । কতক কাচা হইয়াছে, কতক তখনও বাকী আছে। বস্ত্রখণ্ডগুলির চেহারা দেখিয়াই বৃন্দাবন শিহরিয়া উঠিল । নিকটে আসিয়া ক্রুদ্ধশ্বরে কহিল, মড়ার কাপড়-চোপড় কি বলে আপনি পুকুরে পরিষ্কার করছেন ? স্ত্রীলোকটি ঘোমটার ভেতর হইতে কি বলিল, তাহা বোঝা গেল না । বৃন্দাবন বলিল, যতটা অন্যায় করেছেন তার ত আর উপায় নেই, কিন্তু আর ধোবেন না—উঠে যান। সে পরিষ্কৃত বস্ত্রগুলি তুলিয়া লইয়া চলিয়া গেল। বৃন্দাবন জলের দিকে চাইয়া কিছুক্ষণ শুদ্ধভাবে দাড়াইয়া থাকিয়া উঠিয়া জাপিতেছিল, তারিণী ক্রতপদে এই দিকে আদিতেছে। একে পুত্ৰশোকে কাতর, তাহাতে এই অপমান, আসিয়াই পাগলের মত চোখ-মুখ করিয়া বলিল, তুমি নাকি আমার বাড়ির লোককে পুকুরে নামতে দাওনি ? বৃন্দাবন কহিল, তা নয়, আমি ময়লা কাপড় ধুতে মানা করেছি। তারিণী চেঁচাইয়া উঠিল, বলিল, কোথায় ধোবে ? থাকব বাড়লে, ধুতে যাবে। বন্ধিবাটীতে? উচ্ছন্ন যাবি বৃন্দাবন,—উচ্ছন্ন যাবি । ছোটলোক হয়ে পয়সার জোরে 3 е е