প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (অষ্টম সম্ভার).djvu/২৩৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পণ্ডিত মশাই हिरणन ; थांब cन श्रांनप्नाश्रख शनम्बद्र अनौय कृउखउ ठाकूरब्रव्र नारद निरदनन করিয়া দিতে চুপি চুপি প্রবেশ করিয়াছিল। আর আজ, কি নিবেদন করিতে সে ঘরে ঢুকিয়াছে ? বৃন্দাবন লুটাইরা পড়িয়া বলিল, পাশের ঘরেই আমার চরণ মরিতেছে। ভগবান, আমি সে নালিশ জানাইতে আসি নাই, কিন্তু পিতৃস্নেহ যদি তুমিই দিয়াছ, তবে বাপের চোখের উপর বিনা চিকিৎসায়, এমন নিষ্ঠুরভাবে তাহার একমাত্র সন্তানকে হত্যা করিলে কেন ? পিতৃহৃদয়ের এতটুকু সাধনার পথ খুলিয়া রাখিলে না কি জন্ত ? তাহার স্মরণ হইল, বহু লোকের বহুবার কথিত সেই বছ পুরাতন কথাটা—সমস্তই মঙ্গলের নিমিত্ত ! সে মনে মনে বলিল, যাহারা তোমাকে বিশ্বাস করে না, তাদের কথা তাহারাই জানে, কিন্তু আমি ত নিশ্চয় জানি তোমার ইচ্ছা ব্যতীত গাছের একটি শুষ্ক পাতাও মাটিতে পড়ে না ; তাই আজ এই প্রার্থনা শুধু করি জগদীশ্বর, বুঝাইয়া দাও, কি মঙ্গল ইহার মধ্যে লুকাইয়া রাখিয়াছ ? আমার এই অতি ক্ষুদ্র একফোটা চরণের মৃত্যুতে সংসারে কাহার কি উপকার সাধিত হইবে ? যদিও সে জানিত, জগতের সমস্ত ঘটনাই মানবের বুদ্ধির জাস্বত্ত নহে, তথাপি, এই কথাটার উপর সে সমস্ত চিত্ত প্রাণপণে একাগ্র করিয়া পড়িয়া বুহিল, কেন চরণ জন্মিল, কেনই বা এত বড় হইল এবং কেনই বা তাহাকে একটি কাজ করিবারও অবসর না দিয়া ডাকিয়া লওয়া হইল । কিছুক্ষণ পরে পুরোহিত রাত্রির কৰ্ত্তব্য সম্পন্ন করিতে ঘরে ঢুকিলেন। তাহার পদশব্দে ধ্যান ভাঙিয়া যখন বৃন্দাবন উঠিয়া গেল, তখন তাহার উদ্ধাম ঝঞ্চ শাস্ত হইয়াছে। গগনে আলোর আভাস তখনো ফুটিয়া উঠে নাই বটে, কিন্তু মেঘ-মুক্ত নিৰ্ম্মল স্বচ্ছ আকাশের তলে ভবিষ্যৎ-জীবনের অস্পষ্ট পথের রেখা চিনিতে পারিতেছিল। বাহিরে আসিয়া সে প্রাঙ্গণের একধারে দ্বারের অন্তরালে একটি মলিন স্ত্রী-মূৰ্ত্তি দেখিয়া কিছু বিন্মিত হইল । কে ওখানে অমন আঁধারে-আড়ালে বসিয়া আছে । বৃন্দাবন কাছে সরিয়া আসিয়া এক মুহূৰ্ত্ত ঠাহর করিয়াই চিনিতে পারিল, সে BBDS BBB BBB BBBS BBBS BBBS BBB DB BB DD BBB আসিলে কি ? কিন্তু বলিল না । এইমাত্র সে না-কি তাহার চরণের শিশু-আত্মার মঙ্গলোদেশে নিজের সমস্ত স্বর্থদুঃখ, মান-অভিমান বিসর্জন দিয়া আসিয়াছিল, তাই, হীন প্রতিহিংসা সাধিয়া মৃত্যুশষ্যাশায়ী সস্তানের অকল্যাণ করিতে ইচ্ছা করিল না ; বরং করুণকণ্ঠে বলিল, আর একটু আগে এলে চরণের বড় সাধ পূর্ণ হ’ত। আজ সমস্তদিন, যত যন্ত্রণা পেয়েচে, ততই সে তোমার কাছে যাবার জন্ত কেঁদেচে—কি ভালই তোমাকে সে বেসেছিল । কিন্তু, এখন আর জ্ঞান নেই—এসে আমার সঙ্গে । - কুহুম নিঃশৰে স্বামীর অনুসরণ করিল। স্বারের কাছে আসিয়া বৃন্দাবন হাত ३३७