প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (অষ্টম সম্ভার).djvu/২৬০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


*ब्र९-नॉाँहडा-जरअंह স্বারের বাহিরে কুষ্ঠিতকষ্ঠেয় বিনম্র ডাক শোনা গেল— মেজদি ! স্বামী-স্ত্রীতে চোখাচৌখি হইল। স্বামী একটু হাসিলেন, তাহাতে প্রতি বিকীর্ণ হইল না। স্ত্রী অধরে ওষ্ঠ চাপিয়া কৰাটের কাছে সরিয়া আসিয়া নিশৰে কেষ্টর মুখের পানে চাহিতেই সে আহলাদে গলিয়া গিয়া প্রথমেই যা মুখে আসিল কহিল, কেমন जांछ् ८भयकिं ? হেমাঙ্গিনী একমুহূৰ্ত্ত কথা কহিতে পারিলেন না। যাহার জন্য স্বামী-স্ত্রীতে এইমাত্র বিবাদ হইয়া গেল, অকস্মাং তাহাকে সম্মুখে পাইয়া বিবাদের সমস্ত বিরক্তিটা তাহারই মাথায় গিয়া পড়িল। হেমাঙ্গিনী অনুচ্চ কঠোর স্বরে কছিলেন, এখানে কি ? কেন তুই রোজ রোজ আসিস বল ত ? ক্টের বুকের ভিতরটা ধৰ্ব্ব করিয়া উঠিল। এই কঠোর কণ্ঠস্বরটা সত্যই এত কঠোর শুনাইল যে, হেতু ইহার যা-ই হোক, বস্তুটা যে সস্নেহ পরিহাস নয়, বুঝিয়া লইতে এই দুর্ভাগ বালকটরিও বিলম্ব হইল না । ভয়ে, বিস্ময়ে, লজ্জায় মুখখানা তাহার কালিমাখা হইয়া গেল। কহিল, দেখতে এসেচি । বিপিন হাসিয়া বলিলেন, দেখতে এসেছে তোমাকে । এ হাসি যেন দাত ভ্যাংচাইয়া হেমাঙ্গিনীকে অপমান করিল। তিনি দলিত ভূজঙ্গিনীর মত স্বামীর মুখের পানে একটিবার চাহিয়াই চোখ ফিরাইয়া লইয়া কহিলেন, আর এখানে তুই আসিসনে । যা— আচ্ছ, বলিয়া কেষ্ট তাহার মুখের কালি হাসি দিয়া ঢাকিতে গিয়া সমস্ত মুখ আরো কালে, আরো বিশ্রী বিকৃত করিয়া অধোমুখে চলিয়া গেল। সেই বিকৃতির কালো ছায়া হেমাঙ্গিনী নিজের বুকের উপর লইয়া স্বামীর পানে আর একবার চাহিয়া দ্রুতপদে ঘর ছাড়িয়া বাহির হইয়া গেলেন। দিন পাচ-ছয় হইয়া গেল, হেমাঙ্গিনীর জর ছাড়ে নাই । কাল ডাক্তার বলিয়া গিয়াছিলেন, সঙ্গি বুকে বসিয়াছে। সদ্ধার দীপ সবেমাত্র জালা হইতেছিল, ললিত ভাল কাপড়-জাম পরিয়া ঘরে ঢুকিয়া কহিল, ম, দত্তদের বাড়ি পুতুল-নাচ হবে, দেখতে যাব ? ૨G હ