প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (অষ্টম সম্ভার).djvu/২৭৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


अॅब्रर्-नांहिडा-जर6यंइं হেম অতিশয় বুদ্ধিমতী, সে থমকিয় দাড়াইয়া বলিল, কাজ নেই মা কাক বাড়ি গিয়ে। দেশে থেকে দুঃখ করলে আমাদের দুটো পেটের ভাত জুটবে—আমি ঘর ছেড়ে কোথাও যাব না । স্থলোচনা উদ্বিগ্ন-কণ্ঠে বলিয়া উঠিলেন, দাড়াসনে হেম, সকাল হয়ে যাবে। চলিতে চলিতে বলিলেন, তিনি তোকে অনেক লেখাপড়া শিখিয়েচেন—সে সমস্ত জলে ফেলিসনে। তুই আমাকে কি বলবি হেম । আমি জানি, ঘরে বসে মায়ে-ঝিয়ে দুঃখ করলে পেটের ভাতটা জুটবে, কিন্তু তোর বিয়ে দেব কি করে বল দেখি মা ? হেম বলিল, বিয়ে নাই দিলে ? জাত যাবে যে রে । হেম বলিল, গেলেই বা মা । আমরা দুটি মায়ে-ঝিয়ে থাকব—দুঃখ করে খাব, আমাদের জাত থাকলেই বা কি, গেলেই বা কি। পৃথিবীতে আরো অনেক জাত আছে, মেয়ের বিয়ে না দিলে জাত যায় না। আমরা না হয় তাদের মত হয়ে থাকব। মেয়ের কথা শুনিয়া স্বলোচনা এত দুঃখের মাঝেও একটু হাসিলেন, বলিলেন, তা হলেও গা ছাড়তে হবে । জাত গেলে কেউ উঠান বাট দিতেও ডাকবে না। হেম আর জবাব দিল না । বিস্তর অপ্রীতিকর স্থতি ইহার পশ্চাতে উদ্যত হইয়া ছিল, সেইগুলি দমন করিয়া পথ চলিতে লাগিল । যে পথটা গঙ্গার পাশ দিয়া, ঘুরিয়া ঘুরিয়া শ্রীরামপুর স্টেশনে আসিয়া পৌঁছিয়াছিল, র্তাহারা সেই পথ ধরিয়া প্রায় ক্রোশখানেক আসিয়া পখিপার্থে সিদ্ধেশ্বরীর ঘরের সম্মুখে আসিয়া দাড়াইলেন । গলায় আঁচল দিয়া প্ৰণাম করিয়া উঠিয়া হেম বলিল, ম, সকাল হয়ে গেছে, আমার পথ চলতে লজা হচ্ছে । স্বলোচনার নিজের ও লক্ষ করিতেছিল। নীচে এক বৃদ্ধ প্রাতঃস্বনে আ সিতেছিলেন, তাহকে জিজ্ঞাসা করিলেন, মা, শ্রীরামপুর ইন্টিশানের এই পথ না ? বৃদ্ধ ক্ষণকাল তাহার মুখপানে চাহিয়া প্রশ্ন করিলেন, তোমরা কোথা থেকে আসচ মা । স্কুলোচনা লে-কথার জবাব না দিয়া বলিলেন, ইন্টিশনে যাবার আর কোন পথ নেই মা ? দেবালয়ের বিপরীত দিকে একটি ছোট গলি বরাবর রেলওয়ে লাইনের উপর আসিয়া পড়িয়াছিল। বৃদ্ধ সেই পথটি দেখাইয় দিয়া বলিলেন, এই গলিট ৰামুনদেয় বাড়ির পাশ দিয়ে বরাবর রেলের রাস্তায় গিয়ে মিশেচে । এই পথ দিয়ে যাও। রেলের রাস্ত ধরে সোজা বা-দিকে গেলে ছিরামপুর ইষ্টিশনে পৌঁছুবে—যাও মা, ভয় নেই, কেউ কিছু বলবে না। ए८णtsना ८कनिक्र* दिशा न कब्रेिब्र ८ष:ग्रय शंउ षबेिब्र ग्रंजिब ऋश हुकिब्रा পড়িলেন । Reste