প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (অষ্টম সম্ভার).djvu/৬৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


6ভদ ছদিন আসেনি ? বামুলপাড়ায় কারুকে পাঠাসনি কেন ? কাকে পাঠাব ? কে যাবে ? তাও বটে, আমাকে বলিসন কেন ? শুভদা উত্তর দিল না । জলের কলসীটা নামিয়া আসিতেছিল ; সেটাকে একটু তুলিয়া ধরিয়া কৃষ্ণপ্রিয়া বলিলেন, হাতে কিছু টাকাকড়ি আছে কি ? কিছু না । তবে সংসার চলচে কেমন করে ? শুভদা চুপ করিয়া রহিল। ছেলেটা কেমন আছে ? সেই রকমই। এখন ললনাকে একবার আমার বাড়ি পাঠিয়ে দি। তিনি প্রস্থান করিলে শুভদা ললনাকে ডাকিয়া বলিল, কেষ্ট ঠাকুরবি তোকে একবার ডেকে গেছেন, একবার যা । কেন ? তা জানিনে । ললনা কৃষ্ণপ্রিয়ার উদ্দেশে প্রস্থান করিল। কিছুক্ষণ পরে ফিরিয়া আসিয়া মাতার হস্তে দুইটি টাকা দিয়া বলিল, পিসিমা দিলেন । শুভদা মুদ্র দুইটি অঞ্চলে র্বাধিয়া বলিল, আর কিছু বললেন কি ? ই, বাবা এলে তাকে যেন খবর দেওয়া হয় । শুভদা সেদিন ঠাকুরের উদ্দেশে অনেক প্রণাম করিল, পূজার কক্ষস্থিত কালীপটের প্রতি বহুক্ষণাবধি যুক্ত-করে চাহিয়া রহিল, তুলসীতলায় অনেক মাথা খুড়িল, তাহার পর জিনিসপত্র আনাইতে দিয়া গঙ্গাস্নান করিয়া আসিল । সেদিন যথাসময়ে মনোমত আহার পাইয়া ছলনাময়ী মনের আনন্দে হাসিতে হাসিতে পুতুলের বিবাহের সম্বন্ধ করিতে ওপাড়ায় ললিতার নিকট প্রস্থান করিল। 壽 囊 肇 囊 রাত্রে একটু আঁধার হইলে, অন্ধকারে মুখ ঢাকিয়া আজ সমস্তদিনের পর হারাণচন্দ্র বাট প্রবেশ করিলেন। ছয় দিবস পূৰ্ব্বে তিনি যেমন ছিলেন, আজো তেমনি আছেন, কিছুই পরিবর্তন হয় নাই। পরিবর্তন হইয়াছে শুধু বস্ত্রখানার। বর্ণট অঙ্গর অপেক্ষাও কৃষ্ণবর্ণ হইয়াছে এবং গুনিয়া দেখিলে বোধ হয় শতাধিক স্থানে গাইট বাধা দেখিতে পাওয়া যাইত। যথাসময়ে তাহাকে জাহারাদি করাইয়া শুভদ কঙ্কা ললনাকে ভাকিয়া ঈষৎ হাসিয়া বলিলেন, মা, রোজ যেন তোর মুখ দেখে উঠি 鲁鲁