প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (অষ্টম সম্ভার).djvu/৭৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শুভদ বোশেখ জোষ্ট্ৰী মাসে ঝড় হাওয়া আশ্চৰ্ঘ্যি কি বাৰু? डाद दछग्नां रौींश । এখানে কিন্তু গা আছে বলে মনে হচ্চে না ; আঘাটায় লাগাব কি ? লাগবে না ত কি ডুবে মরব ? মাঝি একটু হাসিয়া বলিল, আমি থাকতে সে তয় নেই বাৰু। ঝড় আসবার আগেই নোঙ্গর করব । স্বরেন্দ্রবাবু বিরক্ত হইয়া বলিলেন, অত সাহস ক’রে কাজ নেই—তুমি কাছি ধর। অগত্য হরিচরণ একটু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন স্থান বাছিয়া লইয়া বজরা র্যাধিয়া ফেলিল । স্বরেন্দ্রবাবু বজরার ছাদের উপর আসিয়া বসিলেন । তৃত্য তামাক সাজিয়া দিয়া প্রস্থান করিল। বাবু গুড়গুড়ির নল মুখে দিয়া একজন তৃত্যকে ডাকিয়া বলিলেন, একবার ওস্তাদজীকে ডেকে দে । কিয়ৎক্ষণ পরে একজন পশ্চিমবাসী হিন্দুস্থানী, মাথায় একহস্ত উচ্চ পাগড়ি বাধিয়া দাড়িটা কর্ণমূলে জড়াইয়া, গোফ মুচড়াইতে চড়াইতে আসিয়া বলিল, হুজুর ! স্বরেন্দ্রবাবু পরপারে তীরের অনতিদূরে জলের উপর কালে মত কি একটা পদার্থ ভাসিয়া আছে, তাহাই দেখিতেছিলেন। পদার্থ-টা একটা মনুষ্য-মস্তক বলিয়া বোধ হইতেছিল-—তাহাই মনোযোগ করিয়া দেখিতেছিলেন । ওস্তাদজীর শব্দ প্রথমে কর্ণে প্রবেশ করিল না । ওস্তাদজী উত্তর না পাইয়া আবার বলল, হুজুর ! স্বরেন্দ্রবাবু ফিরিয়া চাহিলেন। ওস্তাদজীকে দেখিয়া বলিলেন, ওস্তাদজী, এখন বোধ হয় ঝড় আসবে না ; একটু গীতবাদ্য হোক । সে মাথা নাড়িয়া বলিল, যে হুকুম | স্বরেন্দ্রবাবু আবার সেই পদার্থ টা দেখিতে লাগিলেন। অল্পক্ষণ পরেই একজন যুবতী আসিয়া নিকটে একখানা গালিচার উপর উপবেশন করিল। পশ্চাতে ওস্তাদজী বায়া-তবলা হাতে করিয়া ছাদের উপর উঠতেছিল ; স্বরেন্দ্রনাথ দেখিয়া বলিলেন, ওস্তাদজী, তুমি নীচে যাও-বাজনার আর কাজ নেই, আজ শুধু গান হোক । ওস্তাদজী একটু শুষ্ক হাস্য করিয়া নামিয়া গেল । ইতিপূৰ্ব্বেই যে স্ত্রীলোকটি গালিচার উপর আসিয়া বসিয়াছিল তাহার নাম জয়াবতী ; বয়সে বোধ হয় বিংশতি হইবে । বেশ হৃষ্টপুষ্ট স্বভৌল শরীর-দেখিতে মন্দ নহে ; বহুদিবস হইতে স্বরেন্দ্রবাবুর অনুগ্রহ পাইয়া আসিতেছে। বাঙালীর ঘরের মেয়ে, সাজসজ্জার আড়ম্বর বেশী কিছু ছিল না । একখানা দেশী কালোপেড়ে শাড়ি ύς b電ー?