প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (একাদশ সম্ভার).djvu/১৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


छब्रिस्बशैब्र সেইখানে গিয়ে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শুরু করে দেব। আমার মা তার মৃত্যুর পূৰ্ব্বে আমাকে হাজার-কয়েক টাকা দিয়ে গিয়েছিলেন। সে টাকা আমার কাছেই আছে । ঐ দিয়ে আমাদের দেশের বাড়ির বৈঠকখানা-ঘরে ডিসপেনসারি খুলে দেব। তুমি হেসে না উপনদী, তুমি নিশ্চয় দেখো, এ আমি করব । বাবাকেও সম্মত করেচি। তাকে বলেচি, মাস-খানেক পরেই কলকাতা গিয়ে হোমিওপ্যাথি স্কুলে ভৰ্ত্তি হয়ে যাব । উপেন্দ্র জিজ্ঞাসা করিলেন, মাস-খানেক পরে কেন ? সতীশ বলিল, একটু কাজ আছে। দক্ষিণপাড়া নবনাট্যসমাজ ভেঙে একটা ফ্যাকড় বার হয়ে গেছে, আমাদের বিপিনবাবু হয়েচেন ওই দলের কৰ্ত্তা। টেলিগ্রামের উপর টেলিগ্রাম করে তিনিই আমাকে এনেছেন ; আমি কথা দিয়েচি র্তাদের কন্সার্ট পার্টি ঠিক করে দিয়ে তবে অন্য কাজে হাত দেব। শুনিয়া সকলে হে হো করিয়া হাসিয়া উঠিল, সতীশও হাসিতে লাগিল। কিছুক্ষণে উচ্চ হাসি যুদ্ধ হইয়া আসিলে সতীশ বলিল, একটা বাণীর অভাব হচ্ছে, সেই জন্যেই আজ দিবাকরের কাছে এসেছিলাম। যদি থিয়েটারের রাতটায় আমাকে উদ্ধার করে দেয় ত আর বেশী ছুটোছুটি করে বেড়াতে হয় না। উপেন্দ্র.জিজ্ঞাসা করিলেন, কি বলে ও ? সতীশ বলিল, আর কি বলবে—পরীক্ষা সন্নিকট । এটা আমার মাথাতে চোকে ন। উপীনদী, দুই বৎসরের পড়াশুনার পরীক্ষা কেমন করে লোকের একটা রাতের অবহেলায় নষ্ট হয়ে যায়। আমি বলি, যাদের সত্যিই যায় তাদের যাওয়াই উচিত। এমন পাশ করার মর্যাদা যাদের কাছে থাকে থাক, আমার কাছে ত নেই। তুমি রাগ করতে পারবে না। উপীনদী, আমি তোমাকে যত জানি এরা তার সিকিও জানেন না । জিমন্তাটিকের আখড়া থেকে ফুটবল ক্রিকেটে চিরদিন তোমার সাক্ৱেদি করে, সঙ্গে সঙ্গে ফিরে, অনেকদিন অনেক রকমেই তোমার সময় নষ্ট হতে দেখেচি, অনেকগুলো পরীক্ষা দিতেও দেখলাম, সেগুলো রীতিমত স্কলারশিপ নিয়ে পাশ করতেও দেখলাম, কিন্তু কোননি তোমাকে ত একজামিনের দোহাই পাড়তে শুনলাম না। উপেন্দ্র কথাটা চাপা দিবার জন্ত বলিলেন, আমি যে বাণী বাজাতে জানিনে সতীশ । সতীশ বলিল, আমিও অনেক সময় ওই কথাই ভাবি। সংসারের এই জিনিসটা কেন যে তুমি জানলে না, আমার ভারী আশ্চৰ্য্য বোধ হয় । কিন্তু সে কখা যাকতোমাদের স্থপুর রোদের এ কমিটিাট কিসের ? নীতের রৌদ্র পিাঠ করিয়া মাথায় র্যাপার জড়াইয়া ইহাদের এই বৈঠকটি দিব্যি