প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (একাদশ সম্ভার).djvu/১৮৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


कृन्जिङ्गशैञ চোঁদ-পুরুষ নরকে যাবে? কেন ঘাৰে। কে তোমাকে বলেচে ? শ্রুতি, স্বতি, তন্ত্র, পুরাণ সমস্তই এই গায়ের জোর আর চোখ-রাঙানি । বাস্তবিক, এত অস্কায় জোর সহ হয় না ঠাকুরপো। - উপেন্দ্র কথা কহিল না। কিন্তু দিবাকর তাহার শেষ চেষ্টা করিয়া বলিল, কিন্তু সে-জোর হয়ত আমাদের মঙ্গলের জন্তই তারা করেচেন। কিরণময়ী জলিয়া উঠিয়া বলিল, অত ভালয় কাজ নেই ঠাকুরপো ! যেন তারাই শুধু মানুষ হয়ে দেশ-শুদ্ধ গরুর পাল লাঠির গুতো দিয়ে ভাল পথে তাড়িয়ে নিয়ে বাবার জন্তেই অবতীর্ণ হয়েছেন। নিজের ভাল কে চায় না ? বুঝিয়ে বললেই ত হয় বাপু, এইজন্যে তোমার ভাল—তাই, এই-সব বিধি-নিষেধ তৈরী করে দিলুম। আমাকেও ত বুঝতে দেওয়া চাই কেন এই পথে আমার মঙ্গল । তাতে ত এত. চোখ-রাঙানি, এত মিথ্যে উপন্যাস রচনা করবার আবগুক হ’ত না । বলিতে বলিতে তাহার ভিতরের ক্রোধটা অতি স্পষ্ট হইয়া উঠিল । উপেন্দ্রর অকস্মাৎ সেই প্রথম রাত্রির কথা মনে পড়িয়া গেল। - এ সেই মূৰ্ত্তি ! পিঙ্করাবদ্ধ বন্য-পশুর সেই মন্মস্তিক গজ্জন । কিন্তু, কি চায় এ ? কিসের বিরুদ্ধে ইহার এত আক্রোশ ? শাস্ত্র এবং শাস্ত্রকারের কোন জহুশাসনের শৃঙ্খল চূর্ণ করিয়া এই বিধবা মুক্তি প্রার্থনা করে ? তাহাকে শাস্ত করিবার অভিপ্রায়ে উপেন্দ্র সবিনয় হাস্তের সহিত কহিল, আমরা দু’জনে ত জবাব দিতে পারলাম না বৌঠান ; কিন্তু একজন আছে—যার কাছে আপনাকেও তর্কে হেরে আসতে হবে, তা বলে দিচ্ছি। কিরণময়ী নিজের উত্তেজনা নিজেই উপলব্ধি করিয়া অবশেষে মনে মনে লজ্জ্বল পাইয়াছিল। সেও হাসিয়া কহিল, এমন কে বল ত ঠাকুরপো ? উপেন্দ্র গম্ভীর হইয়া কহিল, আপনি তামাসা মনে করবেন না। সত্যই বলচি, সেখানে তাকে জিতে আসা ভারী কঠিন । তার পড়াশুনা ষে বেশী আছে তা নয়, কিন্তু তর্কের বুদ্ধি অতি স্বল্প। সেও এ-সমস্ত করে—তাকে নিরুত্তর করে দিয়ে আসতে পারেন, তবে ত বুঝি। - - কিরণময়ী উৎসাহিত হইয়া কহিল, তা না পারি, অন্ততঃ কিছু শিখেও আসতে । পারব ত? হালিয়া কহিল, কে তিনি ঠাকুরপো ? আমাদের ছোটবোঁ নয় ত ? ' উপেজ হাসিতে লাগিল কহিল, সে-ই ! বাস্তবিক বৌঠান, তার বিচার করবার শক্তি অদ্ভূত। তর্কের বুদ্ধি দেখে সময়ে সময়ে আমি যথার্থই মূখ হয়ে ঘাই।। BB BB BBB BB t DDBB BBB BB BBBS BBB DDS እፄ፩