প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (একাদশ সম্ভার).djvu/২০৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শরৎ-সাহিত্য-সংগ্ৰহ উপেন্দ্র অধোমুখে স্তব্ধ হইয়া বসিয়া রহিল। মেঘে ঢাকা চাদ চোখে দেখা না গেলেও চারিদিকে বাঙ্গা জ্যোৎস্নার ইঙ্গিতে আসল বস্তটা যেমন জানা যায়, এই দুটি নর-নারীর গোপন সম্বন্ধটাও এতক্ষণ পৰ্য্যন্ত ততটুকু মাত্রই আড়ালে ছিল। কিন্তু হাওয়া উঠিয়াছে, মেঘ দ্রুত সরিয়া যাইতেছে, অন্তরের মধ্যে উপেন্দ্র তাহ নিশ্চিত অনুভব করিয়াই এমন করিয়া পালাইবার চেষ্টা করিতেছিল, কিন্তু সমস্ত বিফল হইয়া গেল। সহসা একটা দমকা বাতালে সমস্ত আবরণ ছিড়িয়া দিয়া যতদূর দেখা যায়, नञ्जूषव्र चांकांत्र जनांदूठ इहेब्रा छेटैिज । কিরণময়ী ধীরে ধীরে কছিল, যাক, তোমাকে যে ভালবাসি তা জানিয়ে দিয়ে জামি বঁচিপুম। এখন তোমার যা খুশি করে, আমার কিছুই বলবার নেই। কিন্তু মনে ক’রে না ঠাকুরপো, আমি অন্ধ-আশায় ভুলে এ-কথা জানালুম । আমি তোমাকে চিনি, আমি জানি এ নিষ্ফল ! একেবারে নিফল । রক্ষক হয়ে এসে যে তুমি ভক্ষক হতে পারবে না, কোনমতেই না, এ আমি জানি । - এতক্ষণে উপেন্দ্র কথা কহিল, মৃদ্ধকণ্ঠে প্রশ্ন করিল, এ শ্রদ্ধা যদি আমার পরে আছে, তবে জানালেন কেন ? কিরণময়ী কহিল, তার দুটো কারণ আছে। প্রথম কারণ, না জানালে আমি পাগল হয়ে যেতুম। দ্বিতীয় কারণ, তোমাকে সব কথা না বলে তোমার আশ্রয় নেওয়া আমার অসম্ভব। তা হলে আমার কেবল মনে হ’তো স্বরবালাই আমাকে যেন খাওয়াচ্ছে পরাচ্ছে,—কিন্তু এখন যদি এর পরেও তুমি আমার ভার নাও—মনে হবে এ শুধু তোমারই খাচ্চি পরচি, আর কারে নয়। আচ্ছ, স্বরবালাকে আমার কথা বলবে ত? উপেন্দ্র কহিল, না । কিরণময়ী প্রশ্ন করিল, না কেন? শুনলে সে কষ্ট পাবে ? উপেন্দ্ৰ কহিল, না বৌঠান, কষ্ট সে পাবে না ! সে ভারি বোকা! ভদ্রলোকের মেয়ে স্বামী ছাড়া আর কোন লোককে কোন অবস্থাতেই ভালবাসতে পারে, এ-কথা হাজার বললেও তার মাথায় ঢুকবে না। কিন্তু অনুমতি করেন ত এখন উঠি । কথাটা কিরণময়ীকে তীক্ষ আঘাত করিল, কিন্তু সে সহজকণ্ঠে কহিল, অনুমতি না করে ত উপায় নেই, করতেই হবে । কিন্তু আর একটু ব’লো। তোমাকে যে ভালবেসেছিলুম সেইটেই শুধু বলা হ’লো, কিন্তু ভুলতে যে চেয়েছিলুম, আজ সে কথাটাও ত তোমার জানা চাই। কিন্তু তাতে কে আমার গুরু জান ঠাকুরপো ? সেই যে নিৰ্ব্বোধের অগ্রগণ্য মেয়েটি ছোটবোঁ হয়ে তোমাদের বাড়িতে ঢুকচেন তিনিই। উপেন্দ্রর মুখে বিস্ময়ের একটুখানি আতাস দেখিয়া কিরণময়ী কহিল, ই তিনিই ठै छेत्र