প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (একাদশ সম্ভার).djvu/২৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চরিত্রহীন সাবিত্ৰী বলিল, কি জানি বাৰু, লোকে ত বলে। কেউ বলে না—এ তোমার বানানো কথা । আপনাকে বিপিনবাবুর মোসাহেব বলে, এও বুঝি আমার বানানো কথা ? কথা শুনিয়া সতীশ আগুন হইয়া উঠিল। তাহার কারণ ছিল। বিপিনের সহিত ঘনিষ্ঠ সংযোগ বাহিরের লোকের সমালোচনার বিষয় হইলে সেই সমালোচনার ফল সাধারণতঃ কি দাড়ায়, ইহা সে বিদিত ছিল । কলিকাতাবাসী বিপিনের সাংসারিক অবস্থা ও তাহার আমোদ-প্রমোদের অপর্য্যাপ্ত সাজ-সরঞ্জামের মাঝখানে প্রবাসী সতীশের স্থানটা লোকের চোখে যে নীচে নামিয়াই পড়িবে, সতীশের অস্তুরন্থ এই উৎকণ্ঠিত সংশয় সাবিত্রীর তীয় ঘায়ে একেবারে উগ্ৰমূৰ্ত্তি ধরিয়া বাহিরে আসিয়া পড়িল । সে দুই চোখ দীপ্ত করিয়া গৰ্জিয়া উঠিল, কি, আমি মোসাহেব—কে বলে শুনি ? সাবিত্রী মনে মনে হাসিয়া বলিল, কার নাম করব বাৰু ? যাই, রাখালবাবুর বিছানাটা রোদে দিয়া আসি । বিছানা থাক, নাম বল । সাবিত্ৰী হাসিয়া বলিল, কুমুদিনী । সতীশ বিন্মিত হইয়া বলিল, তাকে তুমি জানলে কি করে ? সাবিত্ৰী বলিল, তিনি আমাকে কাজ করবার জন্যে ডেকে পাঠিয়েছিলেন। তোমাকে ? সাহস ত কম নয়! তুমি কি বললে ? এখনো বলিনি—ভাবচি। বেশি মাইনে, কম কাজ, তাই লোভ হচ্চে । সতীশের চোখ দিয়া অগ্নিস্ফূলিঙ্গ বাহির হইতে লাগিল। সে বলিল, এ বিপিনের মতলব তোমার নাম সে প্রায়ই করে বটে । সাবিত্রী হাসি চাপিয়া বলিল, করেন ? তা হলে বোধ করি আমাকে মনে ধরেচে ! সতীশ সাবিত্রীর মুখের প্রতি ক্রুর দৃষ্টিক্ষেপ করিয়া বলিল, ধরাচ্ছি, একশ টাকা ফাইন দিয়ে অবধি লোকজনকে আর চাব কাইনি—আবার দেখচি কিছু দিতে হ’লো। আচ্ছা তুমি যাও । সাবিত্রী চলিয়া গেল। রাখালের বিছানাগুলি রৌদ্রে দিয়া তাড়াতাড়ি ফিরিয়া আসিয়া জানালার ফঁক দিয়া দেখিল, সতীশ জামা গায়ে দিয়াছে, এবং বাক্স খুলিয়া একতাড়া নোট লুই ইয়৷ পকেটের মধ্যে লইতেছে। সাবিত্রী দুই চৌকাঠে হাত দিয়া পথরোধ করিয়া দাড়াইল, কোথায় যাওয়া হবে ? कांछ च्यां८छ्-श्रृंथं छ्रष्क्ल । כיל