প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (একাদশ সম্ভার).djvu/২৯৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


फब्रिजशैनं তুই বলচি কি জ্যোতিব ? তার অন্ধখ-বিশ্বখ হ’লো, না, কি হ’লে, একবার খবর নেওয়াও আবগুক নয় ? কি অবিশ্বক ? সে আমাদের আত্মীয়ও নয়, বন্ধুও নয়, তার জন্যে ভেবে মরার আমি কোন প্রয়োজনই দেখিনে, বলিয়া জ্যোতিষ বাহিরে চলিয়া গেল । সতীশের সম্বন্ধে ছেলের মুখে জবাব শুনিয়া জগৎতারিণী হতবুদ্ধি হইয়া গেলেন। মাত্র এই একটা বেলার মধ্যে সতীশ আর তাহাদের কেহ নয় ? তাহার মুখের উপর ছেলের এই স্পন্ধিত উত্তর ক্ষণকালের জন্য র্তাহার কাছে দুঃস্বপ্নের মত ঠেকিল । সেইখানে দাড়াইয়া কয়েকমুহূর্তেই কত কি যে তার উপবাসক্ষীণ মাথার মধ্য দিয়া ছুটিয়া গেল, তাহা ভাল করিয়া ঠাহর করিতেও পারিলেন না । ধীরে ধীরে উপরে গিয়া নিজের শয্যায় শুইয়া পড়িয়। সরোজিনীকে কাছে ডাকাইয়। আনিয়া জগৎতাথিণা মেয়ের মুখের প্রতি দৃষ্টিপাত করিয়া আরও ভয় পাইয়া গেলেন । একটুখানি চুপ করিয়৷ থাকিয়। বলিলেন, সরি, সতীশ এলো না কেন জানিস? সরোজিনী বলিল, না । - কন্যার এই অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত উত্তরে জগৎতারিণী উঠিয়া বসিয়া কহিলেন, না ! যদি জানোই না তবে লোক পাঠিয়ে জান৩ে কি হয়েছিল ? এও কি আমাকে বলে দিতে হবে নাকি ? সরোজিনী মৃদুকণ্ঠে কহিল, দাদা বললেন লোক পঠাবার দরকার নেই । কেন নেই সেইটাই জানতে চাই । যাও এখখুনি দরওয়ানকে পাঠিয়ে দাও, তার খবর নিয়ে আমুক । - সে ত নেই মা, দাদা তাকে উপীনবাবুকে টেলিগ্রাম করতে পাঠিয়েচেন । উপীনবাবুকে ! হঠাৎ তাকে টেলিগ্রাম করা কেন ? আমি সব কথা জানিনে মা, তুমি দাদাকেই জিজ্ঞাসা কর, বলিয়া সরোজিনী মাকে এক প্রকার উপেক্ষা করিয়াই চলিয়া গেল । এইবার জগৎতারিণীর অকস্মাৎ মনে হইল সতীশকে নিশ্চয়ই ইতিমধ্যে নিষেধ করিয়া দেওয়া হইয়াছে। ইহার হেতু যে কি, তাহা কেহই তাহার কাছে ব্যক্ত করিতে চাহে না বটে, কিন্তু সে যে গুরুতর, তাহাতে কোন সন্দেহ নাই, এবং এই ভীষণ অনিষ্টের মূলে যে ঐ শশাঙ্কমোহন এবং এই দুরভিসদ্ধি লইয়াই সে পুনরায় আসিয়া উপস্থিত হইয়াছে তাহাতেও তাহার. কোন সংশয় রহিল না। কিন্তু, কারণ যতবড় ভয়ানকই হোক, তিনি স্বয়ং উপস্থত থাকিতেও যে ছেলে-মেয়ের। তাহার অনুমতি না লইয়া সতীশকে মানা করিয়াছে, ইহা মনে করিতেই তাহার চিত্ত ক্রোধে পরিপূর্ণ হইয়া উঠিল। তৎক্ষণাৎ এলোকেশীকে দিয়। জ্যোঙিথকে Հե 3