প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (একাদশ সম্ভার).djvu/৩২০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শরৎ-সাহিত্য-সংগ্ৰহ পাবিীর মুখে সরোজিনীয় উল্লেখে সতীশের গা জলিয়া গেল। বেহারী যে কিছুই বলিতে বাকী রাখে নাই, তাহা সে বুঝিল । একবার তাহার ঠোটে জাসিয়া পড়িল তোমার জন্তেই আমার সর্বনাশ–তুমিই আমার শনি ! কিন্তু সে-কথা চাপিয়া গিয়া গুৰু ধীর-গভীর গলায় সংক্ষেপে বলিল, বুক ফুলিয়ে মদ-গাজ খাওয়ার দোষ কি ? দোষ কি সে তুমি জানো না ? g আচ্ছা, তাও যদি লা জানো, এটা তো জানো যে, আমার গা দুয়ে প্রতিজ্ঞ করেছিলে খাবে না ? তুমি আমার কে যে, কৰে জোর কয়ে দিব্যি করিয়ে নিয়েচ বলে সে একটা মস্ত दाँदा ! লাবিত্রী কোনমতে হাসি চাপিয়া মাথা নাড়িয়া বলিল, কেউ নই আমি ? একেবারেই কেউ নয় ? সতীশ ঘাড় নাড়িয়া বলিল, লা। তবে মদের গেলাস পিকদানিতে ঢেলে ফেলে এলাচ চিবোতে চিবোতে এসেছিলে কেন ? সে শুধু তুমি বকবিকি করবে এই ভয়ে। সাবিত্রী হাসিয়া ফেলিয়া বলিল, তবু সাবিত্রী কেউ নয়। আচ্ছ, এখন একটু দ্বধ খেয়ে ঘুমোও । বলিয়া উঠিয়া গিয়া দুধের বাটটা হাতে লইয়া সতীশের স্বমুখে দাড়াইল। সতীশ আপত্তি করিল মা, উঠিয়া বসিয়া সমস্ত দুধ টুকু পান করিয়া গুইয়া পড়িল । সাবিত্রী বাটিটা হাতে করিয়া চলিয়া যাইতেছিল, সতীশ ভাকিয়া জিজ্ঞাসা করিল, তোমার জাহিক লারা হয়েচে ? সাবিত্ৰী ফিরিয়া দাড়াইয়া বলিল, ছা । কি খেলে ? এখনো খাইনি। এবার গিয়ে যা হোক কিছু খাব। শোবে কোথায় ? দেখি, ফটকের বাইরে কোথাও একটু জায়গা-টায়গা পাওয়া যায় কি না ! মইলে গাছতলায়। বলিয়া নিজেই একটু হাসিয়া কহিল, জাছ, কথাগুলো মুখ দিয়ে যার করতেও কি একটু কষ্ট হয় না ? ধন্ত তুমি ? বলিয়া পরম স্নেহে সতীশের কপালের উপর হইতে চুলগুলি হাত দিয়া উপরে তুলিয়া দিতে গিয়া তাহার e נס\