প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (একাদশ সম্ভার).djvu/৬১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


نام: फ्रेंब्रिजशैनं সতীশ কণ্ঠস্বর নত করিয়া বলিল, আমার মনে পড়েচে সাবিত্রী । তোমাকে দুয়ে শপথ করেচি, না ? - সাবিত্ৰী নিস্তন্ধ হইয়া রহিল। সতীশ বলিল, তাই হবে ; কিন্তু, কাল সন্ধ্যায় কথাটা তোমার মনে আছে ত ? এবার সাবিত্ৰী হাসিয়া ফেলিল। ঘাড় নাড়িয়া সাবিত্ৰী বলিল, আছে। লোকে শুনতে পাবে বোধ হয় ; তার উপায় হবে কি ? সাবিত্রী সহসা গম্ভীর হইয়া বলিল, হবে আবার কি ! অন্ত কোন বাসায়, না হয় বাড়ি চলে যান । তুমি ? সাবিীর মুখে কোনরূপ উদ্বেগ প্রকাশ পাইল মা। শান্ত সহজভাবে বলিল, আমি ভাবিনে । এ বাসার বাবুর রাখেন ভালোই ; না রাখেন আর কোথাও কাজের চেষ্টা করে, চলে যাব ; যেখানে খাটবে, সেইখানেই ছুটি খেতে পাব । আর কোন কথা আছে ? - সতীশের সমস্ত মন যেন পৰ্ব্বতের শিখর হইতে গড়াইয়া পাদমূলে পড়িয়া একবারে চুর্ণ-বিচূর্ণ হইয়া গেল। তাহার এখানে থাকা না-থাকায় সাবিত্রীর কিছু আসে-যায় না । এ-সম্বন্ধে সে একেবারে উদাসীন । সে ঘাড় নাড়িয়া জানাইল, আর তাহার কোন কথা বলিবার নাই । কারণ, সাবিত্রীর এই নিঃশঙ্ক সংক্ষিপ্ত জবাবের পরে আর কোন প্রশ্নই তাহার মুখে আসিল না। অথচ কত কথাই না তাহার বলিবার ছিল। সাবিত্রী খালি গ্লাসটা তুলিয়া লইয়া চলিয়া গেল, সতীশ চুপ করিয়া বসিয়া রহিল । হায় রে মানুষের মন ! এ যে কিলে ভাঙে, কিলে গড়ে, তাহার কোন তত্ত্বই খুজিয়া পাওয়া যায় না। এই সে কতটুকু আঘাতে একেবারে মাটিতে লুটাইয়া পড়ে, আবার কত প্রচণ্ড আঘাতও হাসিমুখে সহ করে, তাহার কোন হিসাবই পাওয়া যায় না। অথচ এই মন লইয়া মানুষের অহঙ্কারের অবধি নাই। যাহাকে আয়ত্ত করা যায় না, যাহাকে চিনিতে পৰ্য্যন্ত পারা যায় না, কেমন করিয়া আমার বলিয় তাহার মন যোগানো যায় । কেমন করিয়াই বা তাহাকে লইয়া নিরুদ্বেগে ঘর করা চলে ! সাবিত্রী অনেকক্ষণ চলিয়া গেলেও সতীশ তেমনিভাবে বলিয়া রহিল । তাহার অন্তরটা ঠিক দুঃখে-কষ্টে নয়, কি একরকমের জালায় যেন জলিয়া জলিয় উঠতে লাগিল। যাহাকে ভালবাসি, সে যদি ভাল না বাসে, এমন কি ঘৃণাও করে, তাও বোধ করি সন্ধ হয়, কিন্তু যাহার ভালবাসা পাইয়াছি বলিয়া বিশ্বাস করিয়াছি, সেই BB DD BBBS BBBB BB BBBS BBDS DDD DDS DD 能》