প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (একাদশ সম্ভার).djvu/৮১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


छब्रेिङ्गशैन সে বাড়িতে ঢুকিয়া দেখিতে পাইল, এই বাটীর তাড়াটে, দুজন প্রবীণ। মাতাল হইয়া বকবিকি করিতেছে, এবং তাহার মালি মোক্ষদা সামনের বারান্দায় কাৎ হইয়া পড়িয়া ভাঙ্গা-গলায় নিজের মনে বিদ্যান্বন্দরের গান আবৃত্তি করিতেছে। বাড়িময় মুড়ি, কড়াই-ভাজা, হাসের ডিমের খোলা, কাকড়া-চিবানে, চিংড়ি মাছের খোলা ছড়াছাড়ি যাইতেছে—পা ফেলিবার স্থান নাই । মোক্ষদা সাবিত্রীকে দেখিতে পাইয়াই শিথিল-বস্ত্র কোমরে জড়াইতে জড়াইতে উঠিয়া দাড়াইয়া একেবারে তাহার গলা জড়াইয়া কান্না জুড়িয়া দিল—ম, এমন সব বাৰু যার, তার আবার কষ্ট, তার আবার চাকরি করা। আমি কিন্তু তোর গরীব মাসী সাবিত্ৰী—মুখে তাহার উগ্র মদের গন্ধ ; গালে, কপালে, কাপড়ে সৰ্ব্বাঙ্গে হলুদের শুকনে দাগ, নিশ্বাসে কাচা পিয়াজের কুৎসিত তীব্র গন্ধ। অসহ স্বশায় সাবিত্রী তাকে সজোরে দূরে ঠেলিয়া দিয়া বলিয়া উঠিল, মাসী, তুমিও মদ খাও। তুমিও মাতাল ? - ঠেলা খাইয়া মোক্ষদা কান্না বন্ধ করিয়া, চোখ রাঙা করিয়া চীৎকার করি উঠিল, মাতাল ? অালবং মাতাল ! পাড়ার লোককে জিজ্ঞাসা কর গে যা—তারা বলবে মোক্ষদা মাতাল । অামারো একদিন ছিল লো, আমারো একদিন ছিল । আমিও একদিন চব্বিশ ঘণ্ট। মদে ডুবে থাকতুম ! তুই জানবি কি—কালকের মেয়ে ! তাহার তর্জনে গর্জনে কুষ্ঠিত হইয়া সাবিত্ৰী শান্ত করিবার অভিপ্রায়ে বলিঙ্গ, কিন্তু তুমি ত খাও না—আজ হঠাৎ খেতে গেলে কেন ? মোক্ষদা আরো বাগিয়া উঠিয়া বলিল, হঠাৎ আবার কি। আমরা হঠাৎ-খাইয়ে মেয়েমানুষ নই। জিজ্ঞাসা কর গে যা তোর বাবুকে, যে এক গেলাস খেয়ে উন্টে পড়ে আছে, তাকে ওরে, আমরা মরি, তবু মৰ্য্যাদা হারাইনে—আঁচলে ছুখান৷ নোট বেঁধে দিয়েচে, তবে গেলাস ধরেচি। বলিয়া আঁচলট সদৰ্পে তুলিয়া ধরিয়া বলিল, বললেই ছুটে গিয়ে গিলব, সে মোক্ষদা আমি নই। সাবিত্ৰী চমকিত হইয়া জিজ্ঞাসা করিল, বাৰু এলেচেন নাকি ? মোক্ষদা কহিল, না হলে আর এত কাও করলে কে ? কিন্তু তাও বলি, খাও বললেই খাব কেন ? মান-ইঙ্গত নেই কি ? ইতিপূৰ্ব্বে বারাদার ওধারে যাহারা আপোৰ বচলা করিতেছিল, ऐंठक्रकईऋद्र কলহের আশ্বাস পাইয়া তাহার কাছে আসিয়া দাড়াইল। বিধু বলিল, ওগে, মানইজ্জত আমাদেরও আছে, ঠেস দেওয়া কথা আমরাও বুঝি। তবে নাকি সাবিত্রী মেয়ের মত, তার বাৰু আমাদের হাতে ধরে সাধাসাধি করতে লাগল, তাই খাওয়া। না হলে— צר