প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (একাদশ সম্ভার).djvu/৮৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


अब्र९-जांझिडा-नर¢ई করিয়া সাবিত্রীর সন্ধানে বাহির হইয়া গেল । মোক্ষদা রাধিতেছিল, বেহারী জিজ্ঞাসা করিল, আজকে ও আসেনি গো ? মোক্ষদা হাতের খুছিটা উষ্ঠত করিয়া চোখ-মুখ রাঙা করিয়া বলিল, না বাছ, না। কতবার তোমাকে বলব, সে আর আসবে না। যখন অসময় ছিল, তখন ছিল মালী । এখন যে তার স্বসময় । বাসায় ফিরিয়া আসিয়া বেহারী মৃদুকণ্ঠে জানাইল, আজও সাবিত্ৰী ফিরিয়া আসে নাই । দিন-দু পরে ঔষধ না খাইয়াও সতীশের জর ছাড়িয়া গেল। সে ভাত খাইয়। সুস্থ হইয়া বসিল । বেহারীকে ডাকিয়া বলিল, আর নয়, আজই রওনা হওয়া চাই । সেইদিনই সতীশ কলিকাতা ছাড়িয়া চলিয়া গেল । ΣΣ উপেন্দ্র সতীশের শীর্ণ শুষ্ক মুখের পানে চাহিয়া বলিলেন, ভায়ার কি এই ডাক্তারী শেখার নমুনা না-কি ? সতীশ হাসিয়া কহিল, হ'লে না উপনদা ! উপেন্দ্র আশ্চর্ষ্য হইয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, হ’লো না কি রে? সতীশ লজ্জিত হইয়া বলিল, ডাক্তারী আমার সহ হল না উপনদী। উপেন্দ্র স্নিগ্ধ দৃষ্টিতে ক্ষণকাল সতীশের উন্নত স্বন্দর দেহটার দিকে চাহিয়া থাকিয়া বলিলেন, ভালই হয়েচে । পাড়াগায়ে গিয়ে অনর্থক কতকগুলো জীবহত্যা করতিস্, তার পাপ থেকে ভগবান তোকে রক্ষা করেচেন। মাল-খানেক পরে আর একদিন উপেন্দ্র সতীশকে ডাকিয়া বলিলেন, আমার সঙ্গে একবার কলকাতায় যেতে হবে সতীশ । সতীশ হাত জোড় করিয়া বলিল, ঐ হুকুমটি ক’রো না উপনদী। কলকাতা বেশ সহর, চমৎকার দেশ, সব ভাল, কিন্তু আমাকে যেতে ব’লে না। কথাটা সতীশ তামাসার ছলেই বলিতে গেল বটে, কিন্তু সে ছলনা তাহার চাপ ব্যথাটাকে চাপিয়া রাখিতে পারিল না। তাহার ছদ্ম হাসি বেদনার বিকৃতিতে এমনই রূপান্তরিত হইয়া দেখা দিল যে, উপেক্স আশ্চর্ঘ্য হইয় তাহার মুখের দিকে চাহিয়া রছিলেন। তাহার নিশ্চয় বোধ হইল, সতীশ কি যেন সেখানে করিয়া ግጬ