প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার).djvu/২১১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পথের জাৰী कांश्बिा cदषिट७७ लांब्रिण ना, घुमाब ७ अनबिजौष बाषांब ब्रूष क्ब्रिांश्बा ब्रश्णि । তাহার বুকের ভিতর হইতে কান্না যেন সহস্রধারে ফাটিয়া পড়িতে চাহিল। হায়রে দেশ ! হায়রে মুক্তির পিপাসা ! জগতে কিছুই ইহারা আর আপনার বলিয়া অবশিষ্ট রাখে নাই। এই গৃহ, এই খাদ্য, এই ঘৃণিত সংশ্ৰব, এমনি করিয়া এই বস্ত পশুর জীবন-যাপন, ক্ষণকালের জন্ত মৃত্যুও ভারতীর অনেক সুসহ বলিয়া মনে হইল । সে হয়ত অনেকেই পারে, কিন্তু এই যে দেহ-মনের অবিশ্রাম নির্ধ্যাতন, আপনাকে আপনি স্বেচ্ছায় পলে পলে এই যে হত্যা করিয়া চলার দুঃসহ সহিষ্ণুতা, স্বর্গে-মর্ত্যে কোথাও কি ইহার তুলনা আছে! অধীনতার বেদনা কি ইহাঙ্কের এজীবনের আর সমস্ত বেদনা-বোধই একেবারে ধুইয়া দিয়াছে ! কিছুই কোথাও বাকি নাই। তাহার অপূৰ্ব্বকে মনে পড়িল । তাহার চাকরির শোক, তাহার বন্ধুমহলে হাতের কালশিরার লজ্জা,—ইহারাই ত মাতার সহস্রকোটি সস্তান ! ইহারাই ত দেশের মেরু-মজ্জা, খাইয়া পরিয়া পাশ করিয়া, চাকরিতে কৃতকাৰ্য্য হইয়া যাহাদের একটানা জীবন জন্ম হইতে মৃত্যু পৰ্য্যন্ত পরম নিরাপদে কাটিতেছে। আর ওই ষে লোকটি একান্ত তৃপ্তিতে নিৰ্ব্বিকার-চিত্তে বসিয়া ভাত গিলিতেছে— ভারতীর মুহূর্তের জন্য মনে হইল, হিমাচলের কাছে সহস্ৰ থও উপলের তিলাৰ্দ্ধ বেশি তাহারা নয়। আর তাহাদেরই একজনকে ভালবাসিয়া, তাহারই ঘরে গৃহণীপণার বঞ্চিত দুঃখে আজ সে বুক ফাটিয়া মরিতেছে। অকস্মাং ভারতী জোর করিয়া বলিয়া উঠিল, দাদা, তোমার নির্দিষ্ট ওই রক্তারক্তির পথ কিছুতেই ভাল নয় । অতীতের যত নজিরই তুমি দাও—যা অতীত, বা বিগত, সে-ই চিরদিন শুধু অনাগতের বুক চেপে তাকে নিয়ন্ত্রিত করবে, মানব-জীবনে এ বিধান বিছুতেই সত্য নয়। তোমার পথ নয়, কিন্তু তোমার এই সকল বিসর্জন-দেওয়া দেশের সেবাই আমি আজ থেকে মাথায় তুলে নিলাম। অপূৰ্ব্ববার সুখে থাকুন, তার জন্যে আর আমি শোক করিনে, আমার বাচবার মন্ত্র আজ আমি চোখে দেখতে পেয়েচি । ডাক্তার সবিস্ময়ে মুখ তুলিয়া ভাতের ডেলার মধ্যে হইতে অস্ফুট কণ্ঠে জিজ্ঞাসা করিলেন, কি হ’ল ভারতী ? శి ఆఖ ¥कुञ्जदे°