প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার).djvu/২৩৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


*नtषब्र क्रांबैौ ভারতী বলিল, মিছে কথা । তা ছাড়া আমি শুধু ছোট নয়, আর একদিক দিয়ে তোমার বড় ! যাবার আগে তুমি সমস্ত লও ভও করে দিয়ে সুমিত্রাদিমির সঙ্গে চিরৰিচ্ছেদ ঘটিয়ে রেখে যেতে চাও সে আমি হতে দেব না। ক্ষণকাল মৌন বাকিয়া কহিতে লাগিল, তুমি বলবে মুমিত্রাকে ত তুমি ভালবাস না। নাই বাসলে। তোমাদের পুরুষমানুষের ভালবাসার কতটুকু দাম দাদা, যা আজ আছে কাল নেই ? অপূৰ্ব্ববাবুও আমাকে ভালবাসতে পারেননি, কিন্তু আমি ত পেরেচি। আমার পারাই বা কিছু সব। বোলতার মধু সঞ্চয়ের শক্তি নেই বলে ঝগড়া করতে ষাবো কার সঙ্গে ? কিন্তু আজ তোমাকে বলচি দাদা, এই বিশ্ব-বিধানের প্রভু যদি কেউ থাকেন নারীহৃদয়ের এত বড় প্রেমের ঋণ শুধতে তাকে আমার হাতে এনে অপূৰ্ব্ববাবুকে সঁপে দিতে হবেই হবে । এই বলিয়া ভারতী কিছু একটা উত্তরের আশায় ক্ষণকাল স্তৰভাৰে থাকিয়া কছিল, দাদা, তুমি মনে মনে হালচে ? कहे, नां । নিশ্চয়। নইলে তুমি জবাব দিলে না কেন ? এই বলিয়া সে অন্ধকারে বডম্বর পারা যায় সব্যসাচীর মুখের প্রতি তীক্ষ দৃষ্টি নিক্ষেপ করিল। ডাক্তার হেঁট হইয়া তাহাকে নিরীক্ষণ করিয়া এইবার হাসিলেন, বলিলেন, জবাব দেবার কিছু ছিল না ভারতী ! তোমার বিশ্ব-বিধানের প্রজুটিকে যদি এই জবরদস্তিই মেনে চলতে হ’তো, তোমার স্বমিত্ৰাদিদির কি হতো জানো ? ক্সজেজের হাতেই নিজেকে সৰ্ব্বপ্রকারে সঁপে দিয়ে তবে হাফ ছেড়ে বাচণ্ডে হুতো । ভারতী বিশেষ চমকিত হইল না। আজিকার ব্যাপারের পরে এই সন্দেহই তাহায় মনে ঘনীভূত হইয়া উঠিতেছিল, জিজ্ঞাসা করিল, ব্রজেক্স কি তাকে তোমার চেয়ে,— আমি বলচি, এত বেশি ভালবাসেন ? ভাক্তার সহসা উত্তর দিতে পারিলেন না। তারপরে কছিলেন, বলা একটু কঠিন । এ যদি নিছক একটা আকর্ষণই হয় ত মানুষের সমাজে তার তুলনা হয় না। লক্ষা নেই, সরম নেই, সঙ্গম নেই,—হিতাহিত বোধগুপ্ত জানোয়ারের উন্মত্ত আবেগ ৰে চোখে না দেখেচে সে তার মনের পরিচয় পাবে না । ভারতী তোমার দাদার এই হাত ছুটে বলে কোন বস্তু যদি সংসারে না থাকতো স্থমিত্রার আত্মহত্যা ছাড়া বোধ হয় আর কোন পৰ খোলা থাকত না । তোমার বিশ্ব-বিধানের প্রস্তুটিও এতদিন এদের খাতির না করে পারেননি। এই বলিয়া তিনি ভারতীর আনত মাথার পরে হাত ছুটি রাখিয়া ধীরে ধীরে চাপড়াইতে লাগিলেন। এতক্ষণে ভারতী শঙ্কায় জন্ত হইয়া উঠিল, বলিল, দাদা এত জেনেও ভূমি একই दैचेé ъчи-ез