প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার).djvu/২৭৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


श्रtषब मांबैौ ব্রাহ্মণ ৰিমিত হইল। অপূৰ্ব্ববাবুকে সে ভাল করিয়াই চিনিত, তিনি পদখ ব্যক্তি, আগেকার দিনে এই গৃহে তাহার ষত্ব এবং সমাদরের ক্রটি ছিল না, সময়ে ও অসময়ে তাহার অনেক মাল মশলা হোটেল হইতে তাহাকেই যোগাইয়া দিতে হইয়াছে। আঙ্গ অকস্মাৎ এই উত্তরের সে হেতু বুঝিল না। কহিল, আমি ত সে-সব কিছু জানিনে দিদি, গিয়ে তাকে পাঠিয়ে দিচ্চি। এই বলিয়া সে যাইতে উষ্ঠত হইতেই, ভারতী ডাকিয়া বলিল, সকালে আমার অনেক কাজ, ছেলে-মেয়েরা এসেচে তাদের পড়া বলে দিতে হবে, বলে দাওগে দেখা করবার এখন সময় হবে না । ব্রাহ্মণ জিজ্ঞাসা করিল, তবে দুপুরে কি বৈকালে আসতে বলে দেব ? ভারতী কহিল, না, আমার সময় নেই। এই বলিয়া এ প্রস্তাব এইখানেই বদ্ধ করিয়া দিয়া দ্রুতপদে উপরে চলিয়া গেল । ※ জান সারিয়া প্রস্তুত হইয়া যখন সে ঘণ্টাখানেক পরে নীচে নামিয়া আসিল, তখন ছেলে-মেয়েতে ঘর ভরিয়া গিয়াছে ও তাহাঙ্গের বিদ্যালাভের ঐকাস্তিক উদ্যমে সমস্ত পাড়া চঞ্চল হইয়া উঠিয়াছে। পূৰ্ব্বে দু’বেলাই পাঠশালা বলিত, এখন লোকের অভাবে নৈশ বিদ্যালয়ট প্রায় বন্ধ হইয়া গিয়াছে, সুমিত্রা নাই, ডাক্তার আত্মগোপন করিয়াছেন, নবতারা অন্যত্র গিয়াছে, শুধু নিজের বাসা বলিয়া সকালবেলাটার কাজ ভারতী চালাইয়া লইতেছিল। প্রাত্যহিক নিয়মে আজও সে পড়াইতে বসিল, কিন্তু কিছুতেই মনসংযোগ করিতে পারিল না । পড়া দেওয়া এবং লওয়া আজ শুধু নিষ্ফল নয়, তাহার আত্ম-বঞ্চনা বলিয়া মনে হইতে লাগিল। তবুও কোনমতে এমনি করিয়া ঘণ্টা দুই কাটিলে পড়ুয়ারা যখন গৃহে চলিয়া গেল, তখন কি করিয়া ষে সে আজিকার সমস্ত দিন কাটাইবে তাহা কোন মতেই ভাবিয়া পাইল না। আর সকল ভাবনার মাঝে মাঝে আসিয়া অবিভ্ৰাম বাধা দিয়া যাইতে লাগিল অপূৰ্ব্বর চিন্তা। তাহাকে এভাবে প্রত্যাখ্যান করার মধ্যে অশোভনতা যতই থাক, তাহাকে প্রশ্রম্ব দেওয়া যে ঢের মঙ্গ হইত এ বিষয়ে ভারতীর সঙ্গেহ ছিল না। কোন একটা অজুহাতে দেখা করিয়া সে পূৰ্ব্বেকার অস্বাভাবিক সম্বন্ধটাকে আরও বিকৃত করিয়া তুলিতে চায়, না হইলে মায়ের অসুখ যদি, তবে সে এখানে বসিয়া করিতেছে কি ? মা তাহার, ভারতীর নয়। র্তাহারই সাংঘাতিক পীড়ার সংবাদে শয্যাপার্থে ফিরিয়া যাওয়া ষে পুত্রের প্রথম ও প্রধান কৰ্ত্তব্য তাহা কি পরের সহিত বিচার করিয়া স্থির করিতে হইবে ? তাহার মনে পড়িল রোগের সম্বন্ধে অপূৰ্ব্বর নিদারুণ ভয় । তাহার কোমল চিত্ত বাহির হইতে ব্যথায় ব্যাকুল হইয়া যত ছট্‌ফট্‌ করুক, রুয়ের সেবা করিবার তাহার না আছে শক্তি, না অাছে সাহস । এ ভার তাহার প্রতি স্তন্ত ३●के