প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার).djvu/৩২১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


भाइव ७भनि दिन दिथइब्र-cवणांइ अकूद्र किब्रिब्रा श्रांजिण । शाब्रव्र चांदब्र जन-भकूद्र খাটা তাহার অভ্যাস নয় এবং মাত্র দিন চার-পাচ তাহার জর থামিয়াছে, কিন্তু দেহ যেমন দুৰ্ব্বল তেমনি প্রাপ্ত, তবুও আজ সে কাজের সন্ধানে বাহির হইয়াছিল, কিন্তু এই প্রচও রৌদ্র কেবল তাহার মাথার উপর দিয়া গিয়াছে, আর কোন ফল হয় নাই। ক্ষুধায় পিপাসার ও ক্লাস্তিতে সে প্রায় অন্ধকার দেখিতেছিল, প্রাঙ্গণে দাড়াইয়া ডাক দিল, আমিন, ভাত হয়েচে রে ? মেয়ে ঘর হইতে আস্তে আস্তে বাহির হইয়া নিরুত্তরে খুটি ধরিয়া দাড়াইল । জবাব না পাইয়া গফুর চেঁচাইয়া কহিল, হয়েচে ভাত ? কি বললি--হয় নি ? কেন শুনি ? চাল নেই বাবা । চাল নেই ? সকালে আমাকে বলিস্ নি কেন ? তোমাকে রাত্তিরে যে বলেছিলুম ? গফুর মুখ ভাঙাইয়া কণ্ঠস্বর অনুকরণ করিয়া কহিল, রাত্তিরে ষে বলেছিলুম। রাত্তিরে বললে কারু মনে থাকে ? নিজের কর্কশকণ্ঠে ক্ৰোধ তাঙ্কার দ্বিগুণ বাড়িয়া গেল। মুখ অধিকতর বিকৃত করিয়া বলিয়া উঠিল, চাল থাকবে কি করে ? রোগা বাপ খাক আর না থাক বুড়ো মেয়ে চারবার পাঁচবার করে ভাত গিলবি ! এবার থেকে চাল আমি কুলুপ বদ্ধ করে বাইরে যাবো । দে, একঘাট জল দে, তেষ্টায় বুক ফেটে গেল। বল, তাও নেই । আমিন তেমনি অধোমুখে দাড়াইয়া রহিল। কয়েক মুহূর্ত অপেক্ষা করিয়া গফুর যখন বুঝিল গৃহে তৃষ্ণার জল পৰ্য্যস্ত নাই, তখন সে আর আত্মসম্বরণ করিতে পারিল না। দ্রুতপদে কাছে গিয়া ঠাস করিয়া সশবে তাহার গালে এক চড় কসাইয়া দিয়া কহিল, মুখপোড়া হারামজাদা মেয়ে, সারাদিন তুই করিস কি ? এত লোকে মরে তুই মরিস নে ! মেয়ে কথাটি কহিল না, মাটির শূন্য কলসীটি তুলিয়া লইয়া সেই রোঁজের মাঝেই চোখ মুছিতে মুছিতে নিঃশব্দে বাহির হইয়া গেল। সে চোখের আড়াল হইতেই কিন্তু গফুরের বুকে শেল বিধিল । ম-মরা মেয়েটিকে সে যে কি করিয়া মানুষ করিয়াছে সে কেবল সেই জানে। তাহার মনে পড়িল তাহার এই স্নেহশীলা ধৰ্ম্মপরায়ণ শান্ত মেয়েটির কোন দোষ নাই। ক্ষেতের সামান্ত ধান কয়টি ফুরানো পৰ্য্যস্ত তাহাজের পেট ভরিয়া দুবেলা অল্প জ্বটে না । কোননি একবেলা, কোনদিন বা তাহাও নয়। দিনে পাচ-ছয়বার ভাত খাওয়া ৰেমন অসম্ভব তেমনি মিথ্যা এবং পিপাসার জল না থাকার হেতুও তাহার অবিদিত নয়। গ্রামে ষে দুই-তিনটা পুষ্করিণী אולמו