প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার).djvu/৩৯৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শরৎ-সাহিত্য-সংগ্ৰহ বেণী নয়। আমাদের দেশে যমের দৃষ্টি এড়াবার জন্তে বাপ মা ছেলের নাম রাগে এককড়ি দুকড়ি। সাহিত্যেও এককড়ি ছকড়ি যারা তার নিরাপদ যে লেখায় প্রাণ অাছে প্রতিপক্ষতার দ্বারা তার যশের মূল্য বাড়িয়ে তোলে তার বাস্তবতার মূল্য। এই বিরোধের কাজটা ধাদের তারা বিপরীত-পন্থার ভক্ত। রামের ভয়ঙ্কর ভক্ত যেমন রাবণ । * * জ্যোতিী অসীম আকাশে ডুব মেরে সন্ধান করে বের করেন নানা জগৎ, নানা রশ্মিসমবায়ে গড়, নানা কক্ষ পথে নানা বেগে আবর্তিত। শরৎচন্দ্রের দৃষ্টি ডুব দিয়েচে বাঙালীর হৃদয় রহস্তে। স্বখে দুঃখে মিলনে বিচ্ছেদে সংঘটিত বিচিত্র স্বাক্টর তিনি এমন করে পরিচয় দিয়েচেন বাঙালী যাতে আপনাকে প্রত্যক্ষ জানতে পেরেছে। তার প্রমাণ পাই তার অফুরান আনন্দে। যেমন অন্তরের সঙ্গে তারা খুশি হয়েছে এমন আর কারো লেখায় তার হয়নি। অন্ত লেখকের অনেকে প্রশংসা পেয়েছে কিন্তু সৰ্ব্বজনীন হৃদয়ের এমন আতিথ্য পায়নি। এ বিশ্বয়ের চমক নয়, এ প্রতি। অনায়াসে যে প্রচুর সফলতা তিনি পেয়েছেন তাতে তিনি আমাদের ঈর্ধাভাজন। আজ শরৎচন্ত্রের অভিনন্দনে বিশেষ গৰ্ব্ব অনুভব করতে পারতুম যদি তাকে বলতে পারভূম তিনি একান্ত আমার আবিষ্কার, কিন্তু তিনি কারে স্বাক্ষরিত অভিজ্ঞানপজের জন্যে অপেক্ষা করেন নি। আজ তার অভিনন্দন বাঙলা দেশের ঘরে ঘরে স্বত-উজ্জ্বলিত। শুধু কথা-সাহিত্যের পথে নয়, নাট্যাভিনয়ে চিত্রাভিনয়ে তার প্রতিভার সংস্রবে আসবার জন্তে বাঙালীর ঔৎসুক্য বেড়ে চলেছে। তিনি বাঙালীর বেদনার কেন্দ্রে আপন বাণীর স্পর্শ দিয়েছেন । সাহিত্যে উপদেষ্টার চেয়ে স্রষ্টার আসন অনেক উচ্চে । চিস্তাশক্তির বিতর্ক নয়, কল্পনাশক্তির পূর্ণ দৃষ্টিই সাহিত্যে শাশ্বত মৰ্য্যাদা পেয়ে থাকে। কবির জাসন থেকে আমি বিশেষভাবে লেই স্রষ্টা সেই ভ্ৰষ্ট শরৎচন্দ্রকে মাল্যদান করি। তিনি শতাম্বু হয়ে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধিশালী করুন–র্তার পাঠকের দৃষ্টিকে শিক্ষা দিন মানুষকে সত্য করে দেখতে, স্পষ্ট করে মানুষকে প্রকাশ করুন তার দোষে-গুণে ভালোয়-মন্দয়,—চমৎকারজনক শিক্ষাজনক কোনো দৃষ্টান্তকে নয়—মাহুষের চিরন্তন অভিজ্ঞতাকে প্রতিষ্টিত করুন তার স্বচ্ছ প্রাঞ্চল छांबांग्र । - - १ ২৫শে জানি, ১৩৪৩ ৷ द्रवैौटानांथ #ांडूब्र ஆறw.