প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (দশম সম্ভার).djvu/২৩৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


शएठौ বলিলেন, মা, পুরুষমাছুষকে চোখে চোখে না রাখলেই সে গেল। সংসার করতে আর যা-ই কেন-না ভোল কখনো এ-কথাটি ভুলো না । - র্তাহার নিজের স্বামীর টিকির গোছা ও ঐগীতার মৰ্ম্মার্থ লইয়া মাতিয়া উঠিবার পূৰ্ব্ব পর্য্যস্ত র্তাহাকে অনেক জালাইৰাছেন। আজিও তাহার দৃঢ় বিশ্বাস, মৈত্রবুড়া চিতায় শয়ন না করিলে আর তাহার নিশ্চিন্ত হইবার জো নাই । নিৰ্ম্মলা স্বামীর ঘর করিতে আসিল এবং সেই ঘর আজ বিশ বর্ষ ধরিয়া করিতেছে। এই স্বদীর্ঘ কালে কত পরিবর্তন, কত কি ঘটিল। রায়বাহাদুর মরিলেন, স্বধৰ্ম্মনিষ্ঠ মৈত্র গতাস্থ হইলেন, লেখাপড়া সাঙ্গ হইলে লাবণ্যের অন্যত্র বিবাহ হইল, জুনিয়ার উকিল হরিশ সিনিয়ার হইয়া উঠিলেন, বয়স তখন যৌবন পার হইয়া প্রৌঢ়ত্বে গিয়া পড়িল, কিন্তু নিৰ্ম্মলা তাহার মাতৃদত্ত মন্ত্র আর এ-জীবনে ভুলিল না । , छूझे এই সজীব মন্ত্রের ক্রিয়া যে এত সত্বর শুরু হইবে তাহা কে জানিত। রায়বাহাদুর তখনও জীবিত, পেন্সন লইয়া পাবনার বাটীতে আসিয়া বসিয়াছেন । হরিশের এক উকিল-বন্ধুর পিতৃশ্ৰাদ্ধ উপলক্ষে কলিকাতা হইতে একজন ভাল কীৰ্ত্তন-ওয়ালী জালিয়াছিল, সে দেখিতে স্বত্র এবং বয়স কম। অনেকেরই ইচ্ছা ছিল কাজ-কৰ্ম্ম অস্তে একদিন ভাল করিয়া তাহার কীৰ্ত্তন শুনা । পরদিন হরিশের গান শুনিবার নিমন্ত্রণ হইল ; শুনিয়া বাড়ি ফিরতে একটু অধিক রাত্রি হইয়া গেল। নিৰ্ম্মল উপরে খোলা বারান্দায় রাস্তার দিকে চাহিয়া দাড়াইয়াছিল, স্বামীকে উপরে উঠতে দেখিয়াই জিজ্ঞাসা করিল, গান লাগল কেমন ? হরিশ খুনী হইয়া কহিল, খাসা গায় । ८झर्थ८ङ ८कमन ? মন্দ না, ভালই । নিৰ্ম্মলা কহিল, তা হলে রাতটা একেবারে কাটিয়ে এলেই ত পারতে । ২২৩