প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (দশম সম্ভার).djvu/৩০১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


স্থতিকথা মনে হয়, পরাধীন দেশের সবচেয়ে বড় অভিশাপ এই যে, মুক্তিসংগ্রামে বিদেশীরের অপেক্ষ দেশের সঙ্গেই মানুষকে বেশী লড়াই করতে হয়। এই লড়াইয়ের প্রয়োজন যেদিন শেষ হয়, শৃঙ্খল আপনি খসিয়া পড়ে। কিন্তু প্রয়োজন শেষ হইল না, দেশবন্ধু দেহত্যাগ করিলেন। ঘরে-বাহিরে অবিশ্রাস্ত যুদ্ধ করার গুরুভার তাহার আহত, একান্ত পরিশ্রাস্ত দেহ আর বহিতে পারিল না। আজ চারিদিকে কান্নার রোল উঠিয়াছে, ঠিক এতবড় কান্নারই প্রয়োজন ছিল। তাহার আয়ুষ্কাল যে ক্রত শেষ হইয়া আসিতেছে, তাহা আমরাও জানিতাম, তিনি নিজেও জানিতেন। ... সেদিন পাটনায় যাইবার পূৰ্ব্বে আমায় ডাকাইয়া পাঠাইলেন। শয্যাগত ; আমি কাছে গিয়া বসিতে বলিলেন, এবার final শরংবাবু। বলিলাম, আপনি যে স্বরাজ চোখে দেখিয়া যাইবেন বলিয়াছিলেন ? ক্ষণকাল চুপ করিয়া থাকিয়া বলিলেন, তার আর সময় হইল না। তিনি যখন জেলে, তখন জন-কয়েক লোক প্রাচীরের গারে নমস্কার করিতেছিল। জিজ্ঞাসা করায় তাহারা বলিয়াছিল, আমাদের দেশবন্ধু এই জেলের মধ্যে, তাহাকে চোখে দেখিবার জো নাই, আমরা তাই জেলের পাচিলে তাকে প্রণাম করিতেছি । এ-কথা তিনি শুনিয়াছিলেন, আমি তাহাই স্মরণ করাইয়া দিয়া বলিলাম, এরা আপনাকে ছাড়িয়া দিবে কেন ? দুই চোখ র্তাহার ছল ছল করিয়া আসিল, কয়েক মুহূৰ্ত্ত তিনি আপনাকে সামলাইয়া লইয়া অন্ত কথা পাড়িলেন । মিনিট ২০ পরে ডাক্তার দাশগুপ্ত ঘরের কোণ হইতে আমার মোট লাঠিটা আনিয়া আমার হাতে দিলে, তিনি হাসিয়া বলিলেন, ইঙ্গিতটা বুঝেচেন শরৎবাৰু? এরা আমাদের একটুখানি গল্প করতেও দিতে চায় না । ७ गंtझद्र श्रांद्र श्रांगांमध्न अद्भन्न भिलिल माँ । লোক বলিতেছে, এতবড় দাতা, এতবড় ত্যাগী দেখি নাই। দান হাত পাতিয়া লওয়া যায়, ত্যাগ চোখে দেখা যায়, ইহা সহজে কাহারও দৃষ্টি এড়ায় না। কিন্তু হৃদয়ের নিগৃঢ় বৈরাগ্য? বাস্তবিক, সৰ্ব্বপ্রকার কর্থের মধ্যেও এতবড় বৈরাগী আর আমি দেখি নাই। ঐশ্বর্ষে যাহার প্রয়োজন ছিল না, ধন-সম্পদের মূল্য যে কোন १89