প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (দশম সম্ভার).djvu/৩৪৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


अंबं९-नॉझेिॐ)-न२áई মহাত্মা জানিতেন । তাই দুঃখ দিয়া নহে, দুঃখ সহিয়া, বধ করিয়া নহে, আপনাকে অকুষ্ঠিতচিত্তে বলি দিতেই এই ধৰ্ম্মযুদ্ধে অবতীর্ণ হইয়াছিলেন। ইহাই ছিল তাহার তপশু, ইহাকে তিনি বীরের ধৰ্ম্ম বলিয়া অকপটে প্রচার করিয়াছিলেন। পৃখিবীব্যাপী এই ষে উদ্ধত অবিচারের জাত-কলে মানুষ অহোরাত্র পিষিয়া মরিতেছে, ইহাই একমাত্র সমাধান। গুলি-গোলা, বন্দুক-বারুদ, কামানের মধ্যে নাই, আছে কেবল মানবের প্রীতির মধ্যে, তাহার আত্মার উপলব্ধির মধ্যে, এই পরম সত্যকে তিনি সমস্ত প্রাণ দিয়া বিশ্বাস করিয়াছিলেন বলিয়াই অহিংসা-ব্রতকে মাত্র ক্ষণিকের উপায় বলিয়া নয়, চিরজীবনের একমাত্র ধৰ্ম্ম বলিয়। গ্রহণ করিয়াছিলেন । এবং এইজন্যই তিনি ভারতীয় আন্দোলমকে রাজনীতিক না বলিয়া আধ্যাত্মিক বলিয়া বুঝাইবার চেষ্টায় দিনের পর দিন প্রাণপাত পরিশ্রম করিতেছিলেন। বিপক্ষ উপহাস করিয়াছ, স্বপক্ষ অবিশ্বাস করিয়াছে, কিন্তু কোনটাই তাহাকে বিভ্রাস্ত করিতে পারে ‘নাই । ইংরাজ-রাজশক্তির প্রতি বিশ্বাস হারাইয়াছিলেন, কিন্তু মামুয-ইংরাজদের আত্মোপলব্ধির প্রতি আজও তাহার বিশ্বাস তেমনি স্থির হইয়া আছে । কিন্তু এই অচঞ্চল নিষ্কম্প শিখাটির মহিমা বুঝিয়। উঠা অনেকের দ্বারাই দুঃসাধ্য। তাই সেদিন শ্ৰীযুক্ত বিপিনবাবু যখন মহাত্মাঙ্গীর কথা—“I would decline to gain India's. Freedom at the cost of uon-violence, meaning that India will rever gain her Freedom without non-violence” oft ধরিয়া বুঝাইতে চাহিয়াছেন যে, “মহাজীর লক্ষ্য—সত্যাগ্রহ, ভারতের স্বাধীনতা বা স্বরাজলাভ এই লক্ষ্যের একটা অঙ্গ হইতে পারে, কিন্তু ভুল লক্ষ্য নহে", তখন তিনিও এই শিখার স্বরূপ হৃদয়ঙ্গম করিতে পারেন নাই। অপরের সম্পূর্ণ স্বাধীনতার প্রতি হস্তক্ষেপ না করিয়া মানবের পূর্ণ স্বাধীনতা ষে কত বড় সত্য বস্তু এবং ইহার প্রতি দ্বিধাহীন আগ্রহও যে কত বড় স্বরাজসাধনা, তাহা তিনিও উপলব্ধি করিতে পারেন নাই । সত্যের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ মূল ডাল প্রভৃতি নাই, সত্য সম্পূর্ণ এবং সত্যই সত্যের শেষ। এবং এই চাওয়ার মধ্যেই মানব জাতির সর্বপ্রকার এবং সৰ্ব্বোত্তম লক্ষ্যের পরিণতি রহিয়াছে। দেশের স্বাধীনতা বা স্বরাজ তিনি সত্যের ভিতর দিয়াই চাহিয়াছেন, মারিয়া কাটিয়া ছিনাইয়া লইতে চাহেন নাই, এমন করিয়া চাহিয়াছেন, ষাহাতে দিয়া সে নিজেও ধন্য হইয়া যায়। তাহার ক্ষুব্ধ চিত্তের কৃপণের দেয় অর্থ নয়, তাহার দাতার প্রসন্ন হৃদয়ের সার্থকতার দান। অমন কাড়াকাড়ির দেওয়া-নেওয়া ত সংসারে অনেক হইয়া গেছে, কিন্তু সে ত স্থায়ী হইতে পারে নাই,–ছুঃখ-কষ্ট বেদনার ভারত কেবল বাড়িয়াই চলিয়াছে, কোথাও ত একটি তিলও কম পড়ে নাই ? তাই VENEG