প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (দশম সম্ভার).djvu/৩৫৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


*ミタ= cetterマt শরৎবাবুর রংপুর অভিভাষণের উত্তরে চরকা লইয়া কথা-কাটাকাটি হইয়া গেল বিস্তর, আজও তার শেষ হয় নাই। প্রথমে চরকা-ভক্তের দল প্রচার করিয়া দিলেন, তিনি মহাত্মাঙ্গীর টিকিতে চরকা বাধিবার প্রস্তাব করিয়াছেন । এতবড় একটা অমৰ্য্যাদাকর উক্তি অভিভাষণে ছিল না, কিন্তু তা বলিলে কি হয়,—ছিলই । না হইলে আর ভক্তের বেদন প্রকাশের সুযোগ মিলিবে কি করিয়া ? কিন্তু শরৎবাবু নিজে স্বধন নীরব, তখন আমার মতন একজন সাধারণ ব্যক্তির ওকালতি করিতে যাওয়া অনাবশুক । নিজের মাথায় টিকি নাই, কেহ যে ধরিয়া রাগ করিয়া বাধিয়া দিবে, সেও পারিবে না, স্বতরাং এদিকে নিরাপদ। কিন্তু অভিভাষণে কেবল টকিই ত ছিল না, চরকাও ছিল যে, অতএব বৈজ্ঞানিক প্রফুল্লচন্দ্র ঢাকা হইতে দ্রুতবেগে গেলেন মানভূমে, এবং প্রতিবাদ করিলেন যুব-সমিতির সম্মিলনে। ঠিকই হইয়াছে, ওটা যুবসমিতিরই ব্যাপার। তরুণ বৈজ্ঞানিক বুড়া সাহিত্যিকের তামাক খাওয়ার বিরুদ্ধে ঘোরতর আপত্তি জানাইয়া ফিরিয়া জাসিলেন, সকলে একজনকে ধন্য ধন্ত এবং অপরকে ছি ছি করিতে লাগিল, তথাপি ভরসা হয় না যে, তিনি তিন কাল পার করিয়া দিয়া অবশেষে এই শেষ কালটাতেই তামাক ছাড়িবেন। অতঃপর শুরু হুইয়া গেল প্রতিবাদের প্রতিবাদ, আবার তারও প্রতিবাদ । দুই একটা কাগজ খুলিলে এখনও একটা-ন-একটা চোখে পড়ে । কিন্তু আমরা ভাবি, শরৎবাবুর অপরাধ হইল কিসে ? তিনি বলিয়াছিলেন, বাঙলাদেশের লোকে চরকা গ্রহণ করে নাই । সুতরাং গ্রহণ না করার জন্য অপরাধ যদি ৰাকে, সে এ-দেশের লোকের । খামোক তাহার উপর রাগ করিয়া লাভ কি ? এ-বিষয়ে আমার নিজেরও ৰংকিঞ্চিং অভিজ্ঞতা আছে। স্বচক্ষে দেখিয়াছি ত এই বছর-জাষ্টেক চরকা লইয়া লোকের সঙ্গে কি ধ্বস্তাধস্তিটাই না হইল! কিন্তু প্রথম श्हे८ङहे भांइट्द cगद्दे cष घांफ़ बैंांकाँहेब ब्रहिल, चब्रांtजब्र ८लांछ, भशांप्यूजिीव्र cशांशद्दे, ৰঙ্গে-মাতরমের দিব্যি, কোন-কিছু দিয়াই সে র্যাক ঘাড় আর সোজা করা গেল না, ষে বা লইল, চরকার দাম ছিল না, বকৃতার জোরে বাহাকে দলে আনা গেল, সে বিপদ ঘটাইল আরও বেশী। নব উৎসাহে কাজে মন দিয়া দিন দশ-পনেরো পরেই জট-পাকানো এক-মুঠে স্থতা জানিয়া হাজির করিল। আষ্টে-পৃষ্টে তাহাতে নাম

  • ega