প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (দশম সম্ভার).djvu/৩৬৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ग्नि-निप्त्रष्का उवष१-द्मांश्रृिौ এবার দিল্লী কংগ্রেসের পালা । এ-সম্বন্ধে এত লোকে এত কলরব এত আস্ফালন করিয়াছে, এত গালি দিয়াছে, এত জালা ও উদাম আবর্তনের জন্মদান করিয়াছে যে, সেখানে অস্তর বস্তুটি অামার প্রবেশ করিবার বাস্তবিকই পথ খুজিয়া পায় নাই। কেবল সাধারণের পরিত্যক্ত, অতি সঙ্কীর্ণ নিরালা একটুখানি পৰ সন্ধান করিয়া পাইয়াছিলাম, এবং সেইজন্তই গুৰু আমার মনে হয়, মনের মধ্যেট আমার নিছক ব্যর্থতার মানিতে পরিপূর্ণ হইয়া উঠিতে পারে নাই। বালার দেশবন্ধু দাশকে অতিশয় কাছে করিয়া দেখিবার অবকাশ পাইয়াছিলাম। যতই দেখিয়াছি, ততই অকপটে মনে হুইয়াছে, এই ভারতবর্ষের এত দেশ এত জাতির মানুষ দিয়া পরিপূর্ণ বিরাট বিপুল এই জনসন্সের মধ্যেও এতবড় মানুষ বোধ করি আর একটিও নাই। এমন একান্ত নিৰ্ভীক, এমন শাস্ত সমাহিত, দেশের কল্যাণে এমন করিয়া উৎসর্গ-করা জীবন আর কই ? অনেকদিন পূৰ্ব্বে তাহারই একজন ভক্ত আমাকে বলিয়াছিলেন, দেশবন্ধুর বিরুদ্ধে বিয়োহ করা এবং বাজলাদেশের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা প্রায় তুল্য কথা। কথাটা ষে কত বড় সত্য এই সভার একান্তে বসিয়া আমার বহুবার তাহা মনে পড়িয়াছে। অথচ, এই বাঙ্গালাদেশেরই কাগজে কাগজে যে তাহাকে ছোট বলিয়া লাঞ্ছিত করিয়া, পরের চক্ষে হীন করিয়া প্রতিপন্ন করিবার অবিশ্রাস্ত চেষ্টা চলিয়াছে, এতবড় ক্ষোভের বিষয় কি আর আছে ? তাহাকে ক্ষুদ্র করিয়া দাড় করানোর সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত বাঙ্গলাদেশটাই যে অপরের চক্ষে ক্ষুদ্র হইয়া আসিবে, এমন সহজ কথাটাও যাহারা অনুভব করিতে পারেন না, তাহাদের লেখার ভিতর দিয়া দেশের কোন শুভ কাৰ্য্য সম্পন্ন হুইবে ? একের সঙ্গে অপরের মত যোল-আনা মিলিতে না পারে, হয়ত মিলেও না, কিন্তু মতামতের চাইতেও এই মানুষটি যে কত বড়, এ-কথা লোকে এত সহজে ভুলিয়া যায় কি করিয়া ? তাহার প্রতি চাহিয়া বিভিন্ন জনতার এই বিপুল হইগোলের মাঝখানে বসিয়াও এ-কথা আমার বার বার মনে হইয়াছে যে, এই সাধারণ মামুযটি তাহার জীবদ্দশায় কতখানি দেশোদ্ধার করিয়া যাইবেন, তাহা ঠিক জানি না, কিন্তু ষে অসাধারণ চরিত্রখানি তিনি দেশবাসীর অনাগত বংশুধরগণের জন্ত রাখিয়া যাইবেন, তাহা তার চেয়েও সহস্র গুণে বড়। কাগজের গালিগালাজ এই পরাধীম দেশকে কোনদিনই স্বাধীনতা দিবে না, যে দিবে সে শুধু এই সকল চরিত্রের ইতিহাস। এই জাতীয় কংগ্রেসের আর একটা ব্যাপার আমার বেশ মনে আছে, সে ছিন্থমোসলেম ইউনিট। এই ইউনিটির এক অধ্যায় ইতিপূৰ্ব্বেই সাহারানপুরে জঙ্গুষ্ঠিত হইয়া গিয়াছিল। সভাপতি মৌলানা আজাদ সাহেব নাকি উর্দুতে দু-চার কৰা pe 4