প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (দশম সম্ভার).djvu/৩৬৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শরৎ-সাহিত্য-সংগ্ৰহ पणिशांश्रिणन, किरू मशंग्रांबौद्र श्रालय यौउिखांजन cयौलांना प्रश्श्रम वांजौ 4-जचटक নীরব হইয়া রছিলেন । তা থাকুন, কিন্তু তথাপি শুনিতে পাইলাম, হিন্দু-মোসলেম ইউনিটি একদিন জাতীয় মহাসভার মধ্যে সম্পন্ন হুইয়া গেল। সবাই বাহিরে আসিয়া ইাপ ছাড়িয়া বলিতে লাগিল ষাক, বাচা গেল। চিস্তা আর নাই, নেতারা হিন্দু-মুসলমান সমস্তার শেষ নিষ্পত্তি করিয়া দিলেন, এ-বার শুধু কাজ আর কাজ,—শুধু দেশোদ্ধার। প্রতিনিধির ছুটি পাইয়া সহাস্তমুখে দলে দলে টাঙ্গ, এক, এবং মোটর ভাড়া করিয়া প্রাচীন কীৰ্ত্তিস্তম্ভসকল দেখিতে ছুটলেন। সে ত আর এক-আধটা নয়, অনেক সঙ্গে গাইড, হাতে কাগজ-পেন্সিল—কোন কোন মসজিদ কয়ট হিন্দ্র মন্দির ভাঙিয়া তৈয়ার হইয়াছে, কোন ভগ্নস্তুপের কতখানি হিন্ধু ও কতখানি মোসলেম, কোন বিগ্রহের কে কবে নাক এবং কান কাটিয়াছে, ইত্যাদি বহু তথ্য ঘুরিয়া ঘুরিয়া সংগ্ৰহ করিয়া ফিরিতে লাগিলেন। অবশেষে শ্রাস্ত দেহে দিনের শেষে গাছতলায় বসিয়া পড়িয়া অনেকেরই দীর্ঘনিশ্বাসের সহিত মুখ দিয়া বাহির হইয়া আসিতে শুনিলাম-উঃ ! হিন্দু-মোসলেম ইউনিটি ! মানুষের অত্যন্ত সাধের বস্তুই অনেক সময়ে অনাদরে পড়িয়া থাকে। কেন যে থাকে জানি না, কিন্তু নিজের জীবনে বহুবার লক্ষ্য করিয়াছি, যাহাকে সবচেয়ে বেশী দেখিতে চাই, তাহার সঙ্গেই দেখা করা ঘটিয়া উঠে না, যাহাকে সংবাদ দেওয়া সৰ্ব্বাপেক্ষা প্রয়োজন, সে-ই আমার চিঠির জবাব পায় না । শ্ৰীশ্ৰীবৃন্দাবন ধামটিও ঠিক এমনি । সুদীর্ঘ জীবনে মনে মনে ইহার দর্শনলাভ কত ো কামনা করিয়াছি তাহার অবধি নাই, অথচ আমার পশ্চিমাঞ্চলে যাতায়াতের পথের কখনো দক্ষিণে কখনো বামে ইনিই চিরদিন রহিয়া গেছেন, দেখা আর হয় নাই । এবার ফিরিবার পথে সে ক্রট আর কিছুতে হইতে দিব না এই ছিল আমার পণ । দিল্লী পরিত্যাগের আয়োজন করিতেছি, শ্ৰীমান মন্টু অথবা দিলীপকুমার রায় ব্যস্ত ব্যাকুলভাবে আমার বাসায় আসিয়া উপস্থিত হইলেন। তাহার গলা ভাঙ্গ এবং চোখের দৃষ্টি অত্যন্ত সচেতন। বাসায় তিনি কান খাড়া করিয়া রছিলেন। অনুমান ও কিছু কিছু জিজ্ঞাসাবাদের দ্বারা বুঝা গেল, এই কয়দিনেই দিল্লীর লোকে তাহাকে অত্যন্ত ভালবাসিয়াছে, তাই আত্মরক্ষার আর কোন উপায় না পাইর অপেক্ষাকৃত এই নির্জন স্থানে আসিয়া তিনি আশ্রয় লইয়াছেন। আমার বৃন্দাবন-যাত্রার প্রস্তাবে তিনি তৎক্ষণাৎ সঙ্গে যাইতে স্বীকার করিলেন। বৃন্দাবনের জন্য নয়, দিল্লী ছাড়িয়া হয়ত তখন ল্যাপল্যাণ্ডে যাইতেও মন্টু রাজি হইতেন। আর একজন সঙ্গী জুটলেন প্রমান স্বরেশ,—কাশীর ‘অলকা মাসিক পত্রের প্রতিষ্ঠাতা। স্থির হইল বৃন্দাবনে wogho