প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (দশম সম্ভার).djvu/৩৭৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


*बं९-नाहेिछा-नर4३ সাহিত্য রচনা হয় না। অথচ সত্যর সঙ্গে কল্পনা মিশিয়ে হোলে আমার ষোড়শী। এই উপায়ে সাধারণের কাছে সমাদর লাভ করা গেল প্রচুর, কিন্তু আপনার কাছে দাম আদায় হোল না। এ আমার বাইরের পাওয়া সমস্ত প্রশংসাই নিষ্ফল করে দিলে । এমনি আমার আর একখানা বই আছে পল্লী-সমাজ, এর বিক্রীও ষত ধ্যাতিও তত। অথচ যতই লোকে এর প্রশংসা করে, ততই মনে মনে আমি লঙ্গা পাই । জানি এ টিকবে না । কারণ এ-ও সত্যে মিথ্যায় জড়ানো। মিথ্যে বরঞ্চ টিকে, কিন্তু সত্যর বোনেলের ওপর যে অসত্য, সে পড়তে দেরি হয় না। কথাটা হঠাৎ যেন উণ্টে মনে হয় । এক সময়ে আমি শুধু ছবি আঁকতাম। ছবিতে এর মূণ্ডু, ওর ধড়, তার পা এক কোরে চমৎকার জিনিস দাড় করানো যায় । কারণ সে কেবল বাইরের বস্তু, চোধে দেখেই তার বিচার চলে। কিন্তু সাহিত্যে চরিত্র-স্বাক্টর বেলায় তা হয় না । মামুষের মনের খবর পাওয়া কঠিন। সেখানে নিজের খেয়াল বা প্রয়োজন মত এর একটু, তার একটু, কতক সত্য, কতক কল্পনা জোড়া-তাড়া দিয়ে উপস্থিত মত লোকরঞ্জন করা যায়, কিন্তু কোথায় মস্ত ফাক থেকে যায়, এবং উত্তরকালে এই ফাকটাই একদিন ধরা পড়ে। কি জানি, হয়ত এইজন্তেই আজকাল প্রখর বাস্তব সাহিত্যের চলন শুরু হয়েছে । তাতে দলে দলে লোক আসে, সবাই ছোট, সবাই সত্য, সবাই হীন, কারো কোন বিশেষত্ব নেই, অর্থাৎ যেমনটি সংসারে দেখা যায়। অথচ সমস্ত বইখানা পড়ে মনে হয়, এতে লাভ কি ? কেউ হয়ত বলবে, লাভ নেই—এমনি । মাঝে মাঝে হয়ত, অত্যন্ত সাধারণ মামূলি বিষয়ের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ ও নিপুণ বর্ণনা ৰাকে,—তার ভাষাও যেমন আড়ম্বরও তেমনি, কিন্তু তবুও মন খুশী হয় না, অথচ এরা বলে এই ত সাহিত্য । ষোড়শীর সম্বন্ধে আপনি ঠিক যে কি বলছেন আমি বুঝতে পারিনি। শুধু এইটুকুই বুঝেচি, এ যে ঠিক হয়নি, সে আপনার দৃষ্টি এড়ায়নি । আপনি পরিপ্রেক্ষিতের উল্লেখ করেছেন । ছবি আঁকায় এতে দূরত্বের পরিমাণে বড় জিনিস ছোট, গোল জিনিস চ্যাপ্টা, চৌকা জিনিস লম্বা, সোজা জিনিস বাক৷ দেখায়। কতদূরে কোন সংস্থানে বস্তুর আকারে প্রকারে কিরূপ এবং কতটা পরিবর্তন ঘটবে তার একটা বাধাধরা নিয়ম আছে । এ নিয়ম ক্যামেরার মত ধন্ত্রকেও মেনে চলতে হয়। তার ব্যতিক্ৰম নেই। কিন্তু সাহিত্যের বেলা তো এর cउषन ८कांन बैंiषांश्ब्रां बांहेन cनरें ।* ७द्र गमखरे निर्डब्र कब्र cणषट्कब्र कठेि ७द९ wo