প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (দ্বাদশ সম্ভার).djvu/১৫০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শরৎ-সাহিত্য-সংগ্ৰহ ফোৰাও নেই। এরই অার এক নাম বিশ্বাস। সত্য বিশ্বাস জগতে ব্যর্থ হয় না নতুনবোঁ । সৰিত কছিলেন, আমি যাই কেন না করি দয়াময়, তোমার নিজের চাওয়ার মধ্যে তো ছলনা নেই, তবে সে কেন আমার কাছে ব্যর্থ হোলো ? বিমলবাবু বলিলেন, ব্যর্থ হয়নি নতুন-বোঁ । তোমাকে চেয়েছিলাম বড় করে পেতে—সে আমি পেয়েচি। তোমাকে সম্পূর্ণ করে পাইনি তা মানি, কিন্তু নিজের ষেবিশ্বাসকে আমি আজো দৃঢ়ভাবে ধরে আছি, যুদ্ধতা-বশে, দুৰ্ব্বলতা-বশে তাকে যদি ছোট না করি, আমার কামনা পূর্ণ হবেই একদিন। সেদিন তোমাকে পরিপূর্ণ করেই পাৰে। আমাকে বঞ্চিত করতে পারবে না কেউ—তুমিও না। সবিতা নীরবে চাহিয়া রছিলেন । যা অসম্ভব, কি করিয়া আর একদিন ষে তাহ সম্ভব হইবে তিনি ভাবিয়া পাইলেন না। দয়াময়ের কাছে নীচু হইয়া বুকে হাটিয়া যাওয়ার পথ আছে, কিন্তু স্বচ্ছন্দে সোজা হইয়া চলার পথ কই ? সারদা আসিয়া বলিল, রাখালবাবু এসেচেন মা। রাজু ? কই সে ? এইতো মা আমি, বলিয়া রাখাল প্রবেশ করিল। তাহার পায়ের ধূলো লইয়া প্ৰণাম করিল, পরে বিমলবাবুকে নমস্কার করিয়া, মেঝেয় পাতা গালিচার উপরে গিয়া বসিল । সবিতা বলিলেন, তারক এসেচে আমাকে নিতে, কাল যাবে আমরা তার হরিণপুরের বাড়িতে। শুনেচে রান্ধু ? রাখাল কহিল, সারদার মুখে হঠাৎ শুনতে পেয়েচি মা । হঠাৎ তো নয় বাবা। ওকে যে তোমার মত নিতে বলেছিলুম। আমার মত কি আপনাকে জানিয়েচে সারদা ? সবিতা বলিলেন, না। কিন্তু জানি সে তোমার বন্ধু, তার কাছে যেতে তোমার আপত্তি হবে না। রাখাল প্রথমটা চুপ করিয়া রছিল, তার পরে বলিল, আমার মতামতের প্রয়োজন নেই মা। আমার চেয়েও আপনার সে ঢের বড় বন্ধু। এ-কথায় সবিতা বিস্ময়াপন্ন হুইয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, এর মানে রান্ধু ? রাখাল কহিল, সমস্ত কথার মানে মুখে বলতে নেই মা, মুখের ভাষায় তার অর্থ বিষ্কৃত হয়ে ওঠে। সে আমি বলবো না, কিন্তু আমার মতামতের পরেই যদি আপনাদের যাওয়া না-যাওয়া নির্ভর করে তাহলে যাওয়া আপনাদের হবে না। আমার মত নেই। সবিতা অৰা হইয়া বলিলেন, সমস্ত স্থির হয়ে গেছে যে রাজু! আমার কথা পেরে তারক জিনিসপত্র দোকানে কিনতে গেছে, জামাদের জন্তেই তার পল্লীগ্রামেৰ of e