প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (দ্বাদশ সম্ভার).djvu/১৭৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


अॅब्र९-नांहेिछा-नश्aाई সহিতই অৰ্ধ-চেতন পিতাকে জিজ্ঞাসা করিল, বাবা, নবুকাকুকে কিংবা দাদাদের ভাঞ্চবো কি ? ব্ৰজবাৰু অতিকষ্টে শুধু বলিলেন, রাজু— রেণু সেদিনই রাখালকে আসিবার জন্ত টেলিগ্রাম করিয়া দিল। গ্রামের চিকিৎসকটি মেডিক্যাল কলেজের ষষ্ট বার্ষিকে এম. বি. ফেল। গ্রামের পণার মন্দ জমে নাই। ব্ৰজবাবুকে পরীক্ষা করিয়া তিনি বলিলেন, মাথায় রক্তের চাপ অত্যধিক বৃদ্ধি পাওয়ায় এইরূপ হইয়াছে। সতর্কতা-সহকারে শুশ্রুষা ও চিকিৎসা হইলে এ-যাত্রা বাচিয়া যাইবেন। কিন্তু ভবিষ্যতে পুনরায় এইরূপ ঘটিলে জীবনের আশা অল্পই। এখন হইতে বিশেষ সাবধানত প্রয়োজন । রাখাল তাহার বন্ধু যোগেশের মেস্ হইতে সেদিন বাসায় ফিরিল রাত্রি প্রায় সাড়ে এগারোটায়। ষোগেশ কোনও মতে রাখালকে ছাড়ে নাই, খাওয়াইয়া দিয়াছে। দিল্লীতে কয়েকটি বিবাহযোগ্য অনুঢ়া পাত্রী রাখালকে তাহার আপত্তি সত্বেও দেখানো হইয়াছিল। তাহাজেরই মধ্যে একটি পাত্রীর কাকা কলিকাতার অফিসে চাকরি করেন। দিল্লী হইতে পান্ত্রীর পিতার তাগিদ অনুসারে পাত্রীর খুড়া আসিয়া ৰোগেশকে ধরিয়াছেন। রাখাল-রাজবাবুর সহিত র্তাহার ভাইঝির বিবাহ দিয়া দিতেই হুইবে । সে ভজলোক নাকি যোগেশকে এমনভাবে অনুনয়-বিনয় করিতেছেন যে, নিজে বিবাহিত এবং অন্ত জাতি না হইলে যোগেশ হয়তো এই অরক্ষণীয়াটির রক্ষণভার গ্রহণ করিয়া তাহার খুড়ার অনুনয়-বিনয়ের উৎপাত হইতে আত্মরক্ষা করিয়া ফেলিত । পাত্রীর একখানি ফটোগ্রাফও ষোগেশ রাখালকে দেখাইয়াছে। যদি চেহারা ঠিক মনে না পড়ে সেজন্ত খুড়া এই ফটোখানি যোগেশের নিকট রাখিয়া গিয়াছেন। রাখাল প্রথমে তো হাসিয়াই উড়াইয়া দিয়াছিল, কিন্তু যোগেশচন্দ্র না-ছোড়। সে প্রাণপণ তর্ক ও যুক্তি দ্বারা বুঝাইতে লাগিল, ষা পাত্রীর বয়স, চেহারা, শিক্ষা, এবং তাছার পিতৃকুল-সম্বন্ধে রাখালের কোনও অপছন না থাকে, তবে সে কেন বিবাহ করিবে না ? ষোগেশ জানে, রাখাল বিবাহের পণ-গ্ৰহণ প্রধাকে অকৃত্রিম ঘৃণা করে। সংসারে রাখালের অপেক্ষ অনেক অল্প আম্বের মানুষও বিবাহ করিয়া স্ত্রী-পুত্র-কন্যা প্রতিপালন করিতেছে। স্বয়ং ষোগেশচন্দ্ৰই তো তাহাজের অন্যতম উদাহরণ। তবে মধ্যবিত্ত DDDB BBD DDDDDBBB DBBBBB BDDDD DDDBS BB BS BDD ध्रण छांश बक्विांश्ठि अवशांब । वकूद्र विवारश् बांकरौद्र जग्नशिश्न निजे यांप्र्कtछेद boo