প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (দ্বাদশ সম্ভার).djvu/২১৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


*ब्र९-नाहेिठा-नरáई ব্ৰজবার দীর্ঘশ্বাস মোচন করিয়া চক্ষু মুদ্রিত করিলেন, জবাব দিলেন না। डाशत्र মুখমণ্ডলে ইচ্ছা অনিচ্ছার কোনও রেখাই ফুটিয়া উঠিল না, যেমন নিৰ্ব্বাক ছিলেন তেমনই রছিলেন । দুপুরবেলায় রাখাল বিমলবাবুকে একটু অন্তরালে ডাকিয়া লইয়া গিয়া অতিশয় গভীর-মুখে বলিল, আপনার সঙ্গে একটু পরামর্শ আছে। বিমলবাবু জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকাইলে রাখাল বৃক-পকেট হইতে ডাকঘরের মোহরাঙ্কিত একধানি পোস্টকার্ড বাহির করিয়া বলিল, পড়ে দেখুন। বিমলবাবু কার্ডখানি হাতে লইয়া একবার চোখ বুলাইয়া নাম-সহি লক্ষ্য করিলেন—মঙ্গলাকাজী শ্ৰীহেমস্তকুমার মৈত্র । বলিলেন, ইনি কে রাজু ? চিনতে পারলাম না তো ! কাকাবাবুর এ-পক্ষের হালক। আমাদের শকুনী-মামা। নাম শোনেননি কি ? ও, ইনিই ব্ৰজবাবুর কারবারের প্রধান তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন না ? ই। শুধু কারবারের কেন, বিষয়-আশয়ের, ঘর-সংসারের, স্ত্রী-কন্যার সব ভারই তিনি স্বেচ্চায় কাধে তুলে নিয়ে কাকাবাবুকে নিঝঞ্ঝাটে গোবিন্দজীর পায়ে সমর্পণ করেছিলেন । নিঃশবে নতনয়নে পোস্টকার্ডধানি পাঠ করিয়া বিমলবাবু চক্ষু তুলিয়া রাখালের যুধের পানে তাকাইলেন। রাখাল বলিল, বলুন দেখি, এ চিঠি এখন কাকাবাবুর হাতে দেওয়া উচিত কি না । বিমলবাবু নিরুত্তরে চিস্তা করিতে লাগিলেন। রাখাল পুনশ্চ কহিল, কাকাবাবুর কাছে এ সংবাদ গোপন রাখাও তো আমাদের পক্ষে অনুচিত হবে । বিমলবাবু বলিলেন, তা তো হবেই। তারপর একমুহূৰ্ত্ত চিন্তা করিয়া কহিলেন, এ চিঠি ওঁর হাতে দিয়ে কাজ নেই, পড়ে শোনালেই চলবে । কারণ, চিঠির কতকটা অংশে অনাবশ্বক কটু কথা আছে। ওঁকে সেটা না শোনালেই ভাল হয় । নিশ্চয়। কোন অংশ বাদ দিয়ে কতটুকু ওঁকে শোনানো যেতে পায়ে বলুন তো ? এই যে লিখেচেন, “ষে কলঙ্কিত বংশে রাণী জন্মগ্রহণ করিয়াছে, তাহার কলুষের जब्बी ८ठ उांश८क फेिब्रक्षेिन यश्ञ कब्रिएउ श्हे८वझे छानि । श्रांमांद्र अश्विक इब्र, আপনার অপরাধ ও মহাপাপের শাস্তি শেষ পৰ্য্যস্ত আমার নিরপরাধ ভাগিনেয়ীকে ম্পর্শ না করে। সেজন্তই তাহাকে যথাসম্ভব সত্বর সৎপাত্রস্থ করিবার ব্যবস্থা ९७७