প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (দ্বাদশ সম্ভার).djvu/২৫০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শরৎ-সাহিত্য-সংগ্ৰহ স্বাখাল হাসিয়া বলিল, সে অনেক কথা । তুমি এখন ব্যস্ত রয়েচে । শোৱবার সময় হবে কি ? হবে—হবে। তুমি বলে। .* তারকের চোখে-মুখে ব্যগ্ন কৌতুহল লক্ষ্য করিয়া রাখাল মনে মনে হাসিলেও মুখে নিৰ্ব্বিকার ভাব বজায় রাখিয়া বলিল, চলো সামনের পার্কে বসে কথা কই গে । তাৱক বলিল, বেশ, তাই চলো । ব্রীফের তাড়া ক্ষিপ্র-হস্তে গুছাইয়া ফিতা বাধিতে বাধিতে তারক বলিল, বোসো, বাড়ির ভিতর গিয়ে একটু চায়ের ব্যবস্থা করে আসি। চা খেয়ে একেবারে বেরুনো যাবে। রাখাল বলিল, আমি যে এইমাত্র বাড়ির ভিতরে বলে এসেচি, চা খাবো না । তারক সংক্ষেপে বলিল, তা হোক। চায়ের ব্যাপারে না’ কে ‘হ্যা’ করলে দোষ cमहे । তারক দ্রুতপদে ঘর হইতে বাহির হইয়া গেলে, রাখাল দীর্ঘশ্বাস ত্যাগ করিয়া চেয়ারের পিঠে হেলান দিয়া নানা কথা ভাবিতে লাগিল । গায়ে মুগার পাঞ্জাবি, পায়ে গ্রিসিয়ান শ্লিপার চড়াইয়া তারক ফিরিং আসিল । তার পিছু পিছু কি ট্রেতে করিয়া চা এবং দুই প্লেট কচুরী লইয়া ঘরে প্রবেশ করিল। রাখাল বিনা বাক্যব্যয়ে চায়ের পেয়ালা ও কচুরীর প্লেট লইয়া সদ্ব্যবহার শুরু করিয়া দিল। অল্প সময়ের মধ্যে প্লেট শূন্ত করিয়া বলিল, তারক, তোমাদের চা-দায়িনীকে একবার স্মরণ করতে পারো ? তারক চায়ে চুমুক দিতে দিতে হাকিল, শিবুর মা—এদিকে শুনে যাও। ঝি আসিলে রাখাল বলিল, বাড়ির ভিতরে গিয়ে বলে, রাজুবাবু আরও খানকয়েক কচুরী খেতে চাইলেন। বি চলিয়া গেল। তারক খাইতে খাইতে হাসিয়া বলিল, রাজুবাবু খান-কয়েক কচুরী খেতে চাইচেন শুনলে এক-ঝুড়ি কচুরী এসে পড়বে কিন্তু বাড়ির ভিতর থেকে । রাখাল দ্বিতীয় পেয়াল চায়ে চুমুক দিতে দিতে বলিল, আর তারকবাৰু খেতে চেয়েচেন শুনলে একগাড়ি কচুরী আসবে বোধ হয় ? কচুরীর ‘ক’ও আসবে না। শুধু সংবাদ আসবে ফুরিয়ে গেছে। বাজাৱ থেকে গরম কচুরী এখুনি কিনে আনিয়ে দেওয়া হচ্ছে। একটু অপেক্ষা করতে হবে। স্বাখাল হাসিল, ভ্ৰকুটি করিল। ৰলিল, তাই নাকি ? তাৱক বলিল, একটুও বাড়িয়ে বলিনি। * * স্বাধঘোমটা টান প্রৌঢ়া দাসী শিবুর মা অহেতুক অতি-সস্কোচে জড় মৃদ্ধ হইয়। 战翰电