প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (দ্বাদশ সম্ভার).djvu/২৬৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২৬ তারকের বিবাহ নির্বিঘ্নে চুকিয়া গেল। বিমলবাবু কলিকাতায় আসিয়াছেন। সবিতা প্রস্তুত হইয়াছেন বিমলবাবুর সহিত তীর্থভ্রমণে বাহির হইবার জন্ত । আগামী কল্য র্তাহারা রওনা হইবেন । পুরাতন দরওয়ান মহাদেও ব্যতীত বিমলবাবু দাসী ও র"ধুনী সঙ্গে লওয়ার ব্যবস্থা করিয়াছেন। রাখালকে ডাকাইয়া সবিতা তাহার হাতে ব্রজবিহারীবাবুর শিলমোহর করা গহনা সমেত বাক্সটি তুলিয়া দিয়া বললেন, এ গহনা রেপুর। সে না নিতে চায়, সংসারে মাতৃহীন মেয়েদের মধ্যে এ তুমি বিলিয়ে দিয়ে রাজু। এ-সমস্ত আটকে রেখেছিলাম যার জন্য, সেই যখন চরম দারিদ্র্য মাথায় তুলে নিলো, আমি আর এ বোঝা বয়ে মরি কেন ? দেড় লক্ষ টাকা দামের যে সম্পত্তি আমার নামে ছিল—সে কেন হয়েছিল রেণুরই বাপের উপার্জনের টাকায় । সে সম্পত্তি রেপুর নামে ট্রান্সফার করে রেজেস্ট্রি করে দিয়েচি, এই নাও সেই দলিল ও কাগজপত্র। সে না গ্রহণ করে এ সম্পত্তির যে ব্যবস্থা তুমি নিজে ভাল বুঝবে তাই ক’রো। আর এই হাজারকয়েক টাকার কোম্পানীর কাগজ ও আমার এই হার, বালা, চুড়ি যা বিয়ের সময় আমার বাপের দেওয়া, এ আমি তোমার ঘর করতে যে আসবে, অর্থাৎ আমার বোমাকে-আমার যৌতুক দিয়ে গেলাম। এ তার শাশুড়ীর আশীৰ্ব্বাণী । ফিরিয়ে দিয়ে না বাবা । সারদা দূরে দাড়াইয়া রাখালের মুখের পানে চাহিয়া মৃদ্ধ হাসিল। রাখাল বিপন্ন হইয়া বলিল, নতুন-ম, আপনার ছেলের বিস্তে-বুদ্ধির খবর আপনার অজানা নয়। এতবড় শুরু দায়িত্ব আমার উপর দিয়ে যাচ্ছেন কেন ? আমি কি পারবো এ-সবের ব্যবস্থ করতে ? তার চেয়ে বরং তারকের কাছে এ-সব গচ্ছিত রেখে যান ; সে আইনজ্ঞ মানুষ, বিষয়-সম্পত্তির ব্যাপার বোঝে-সোঝে ভালো, তার হাতে থাকলে স্থব্যবস্থা হতে পারে । সৰিত বলিলেন, আমাকে কি তুই নিশ্চিন্তু হয়ে যেতে দিবিনে রাজু ? তার পরে গাঢ়-স্বরে বলিলেন, যে উদ্বেগু নিয়ে—তোমার কাকাবাবুর হাত থেকে এ-সমস্ত একদিন নিজের হাতে নিয়েছিলাম তা সার্থক হলো না। তোমার কাকাবাবুর ডুবে যাওয়া কারবারের তলায় এগুলিও সেদিন তলিয়ে গেলেই ভালো হতো। হয়তো এর চেয়ে সাত্বনা পেতাম তাতে । ब्राथाण कूटैिऊ श्बां यनिण, किरू cन बाहे षनून मछून-यां, भामि किरू ७-नय আর্থিক ব্যাপারে নিতান্তই অজ্ঞ। আমাকে দিয়ে— ጳ¢ከም