প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (দ্বাদশ সম্ভার).djvu/২৬৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শেষের পরিচয় नबिज्र पौद्र काई बनिर्णन, उद्र भत्त्व न ब्राख्। डूबि ७-जद्मक रु शबश३ করবে, সেইটাই হবে স্বব্যবস্থা। আর শুভ ব্যবস্থা । পবিতার প্রথমেই যাত্রা করিলেন দ্বারকা। সেখান হইতে বহু স্থানে ঘুরিতে ঘুরিতে গুজরাট রাজপুতনা প্রভৃতি ভ্রমণ করিয়া আগ্ৰায় আসিয়া পৌঁছিলে, বিমলবাবু জিজ্ঞাসা করিলেন, মথুরা-বৃন্দাবন দেখবে না সবিতা ? এখান থেকে খুব কাছে— সবিতা বলিলেন, ঐকৃষ্ণের লীলাক্ষেত্র প্রভাস দেখলাম, দ্বারক্ষা দেখলাম, মথুরাবৃন্দাবনই বা বাকি থাকে কেন—চলে যাই। মথুরায় বিমলবাবুর পরিচিত এক ধনী শেঠের প্রাসাদে তাহারা আসিয়া উঠিলেন। শেঠঞ্জী কারবার-স্থত্রে বিমলবাবুর সহিত বিশেষ পরিচিত। তাহার স্বরম্য গেস্ট হাউসে’ বা অতিথি-ভবনে বিমলবাবুদের থাকিবার বন্দোবস্ত তো করিয়া দিলেনই, নিজের একখানি মোটরকারও বিমলবাবুর সর্বদা ব্যবহারের নিমিত্ত ছাড়িয়া দিলেন । মথুরা হইতে মোটরযোগে বৃন্দাবন গিয়া বিমলবাবু বলিলেন, সবিতা, ব্ৰজবাবুদের সঙ্গে দেখা করতে যাবে নাকি ? সবিতা বলিলেন, পাগল হয়েচো ! আমরা দেবদর্শন করতে এসেচি, তাই দেখে ফিরে যাবো । সমস্তদিন বৃন্দাবনের নানা স্থানে ঘুরিয়া ক্লান্ত বিমলবাবু বৈকালে বলিলেন, চলো এইবার মথুরায় ফেরা যাক। সবিতা বলিলেন, শুনেচি, বৃন্দাবনে গোবিন্দজীর আরতি ভারি স্বন্দর, আরতিটা দেখে গেলে হয় না । বিমলবাবু বলিলেন, আরতি দেখেই ফেরা যাবে। বিস্তৃত একটি মাঠের পাশে গাছতলায় মোটর রাখিরা তাহারা সতরঞ্চি বিছাইয়া বিশ্রাম করিতে বসিলেন। মহাদেও রেওয়ান বিমলবাবুর চায়ের সরঞ্জাযপূর্ণ বেতের বাক্স গাড়ি হইতে নামাইয়া স্টোভ জালিরা গরম জল প্রস্তুত করিতে প্রবৃত্ত হইল। সবিতা চা খান না, কিন্তু নিজ হন্তে চা তৈয়ারী করেন। এলুমিনিয়ম কেটল হইতে ফুটন্ত জল চীনামাটির চা-পাত্রে ঢালিয়া, চিনি, চা, দুধ প্রভৃতি মহাদেও সবিতার সম্মুখে অগ্রসর করিয়া দিল। ক্লান্তকণ্ঠে সবিতা বলিলেন, মহাদেও, তুমিই জাজ চা তৈরী করে । আমি ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত হয়েটি। বিমলবাবু উদ্বিগ্ন হইয়া বলিলেন, তোমার শীর খারাপ ঠেকচে নাকি ? তা হলে আজ আর মন্দিরে ভিড়ের মধ্যে গিয়ে ৰাজ নেই। સ્વ:૪