প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (দ্বাদশ সম্ভার).djvu/৩১৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


লালু জামাদের সহরে তখন শীত পড়েছে, হঠাৎ কলেরা দেখা দিলে। তখনকার নি ওলাউঠার নামে মাছৰে ভয়ে হতজ্ঞান হতো। কারও কলেরা হয়েচে শুনতে পেলে লেপাড়ায় মাছৰ থাকতো না। মারা গেলে দাহ করার লোক মেলা দুটি হতো। কিন্তু সে দুর্দিনেও আমাদের ওখানে একজন ছিলেন ধার কখনো আপত্তি ছিল না! গোপালখুড়ো তার নাম, জীবনের ব্রত ছিল মড়া পোড়ানো। কারও অস্থখ শক্ত হয়ে উঠলে তিনি ডাক্তারের কাছে প্রত্যহ সংবাদ নিতেন। আশা নেই শুনলে খালি পায়ে গামছা কাধে তিনি ঘণ্টা-দুই পূৰ্ব্বেই সেখানে গিয়ে উপস্থিত হতেন। আমরা জনকয়েক ছিলাম তার চালা। মুখ ভার করে বলে যেতেন, ওরে, আজ রাত্রিটা একটু সতর্ক থাকিস, ডাকলে যেন সাড়া পাই। রাজারে শ্মশানে চ–শাস্ত্রবাক্য মনে আছে ত ? —জাজে, আছে বই কি। আপনি ডাক দিলেই গামছা সমেত বেরিয়ে পড়ব । —বেশ বেশ, এই ত চাই। এর চেয়ে পুণ্যকৰ্ম্ম সংসারে নেই। আমাদের দলের মধ্যে ছিল লালুও একজন। ঠিকেদারির কাজে বাইরে না গেলে লে কখনো না বলত না ? সেদিন সন্ধ্যাবেল বিষ্ণু-মুখে খুড়ে এসে বললেন, স্ট্রি পণ্ডিতের পরিবারটা বুঝি রক্ষে পেলে না । ९ সবাই চমকে উঠলাম। অতি গরীব বিষ্ট্র ভট্টচাষের কাছে বাঙলা ইস্কুলে আমরা ছেলেবেলায় পড়েছিলাম। নিজে সে চিরক্কল্প এবং চিরদিন স্ত্রীর প্রতি একান্ত নির্ভরশীল। জগতে আপনার বলতে কেউ নেই,—তার মত নিরীহ অসহায় মানুষ সংসারে জামি দেখিনি। e রাজি আন্দাজ আটটা ; ঘড়ির খাটে বিছানা-সমেত পণ্ডিত-গৃহিণীকে আমরা স্বর থেকে উঠানে নামালাম। পণ্ডিতমশাই ক্যাল ফ্যাল করে চেয়ে রইলেন। সংসারে কোন-কিছুর সঙ্গে সে চাহনির তুলনা হয় না এবং সে একবার দেখলে সার-জীবনে cउाण वाग्न ना । - স্বজহ তোলার সময় পণ্ডিতমশাই আন্তে আন্তে বললেন-আমি সঙ্গে না গেলে दूषधिब कि शव ? - কেউ কিছু বলবার আগে লালু বলে উঠল, ও কাজটা আমি করব, পণ্ডিতৰশাই। আপনি আমাদের গুরু, সেই সম্পর্কে উনি আমাদের না। আমরা সবাই Seo