প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (দ্বাদশ সম্ভার).djvu/৩৪৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


बिछिद्र ब्रछनांदली প্রবলকণ্ঠে ধিক্কার দিয়ে সাহিত্যগুক বঙ্কিমের স্থতি-সভার পুণ্য-কাৰ্য্য সেদিনে মতে সমাপ্ত হ’লো। এমনিই হয়। কিন্তু একটা কথা রবীন্দ্রনাথ বলেন নি, বঙ্কিমের ন্যায় অতবড় সাহিত্যিক প্রতিভা, যিনি তখনকার দিনেও বাঙলা ভাষার নবরূপ, নবকলেবর সৃষ্টি করতে পেরেছিলেন, বিষবৃক্ষ' ও 'কৃষ্ণকান্তের উইল-বক্স-সাহিত্যের মহামূল্য সম্পদ দুটি যিনি বাঙালীৰে দান করতে পেরেছিলেন, কিসের জন্য তিনি পরিণত বয়সে কথা-সাহিত্যের মধ্যাদা লঙ্ঘন করে আবার ‘আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরাণী’, ‘সীতারাম, লিখতে গেলেন ? কোন প্রয়োজন তার হয়েছিল? কারণ, এ-কথা তো নিঃসন্দেহে বলা যায়, প্রবন্ধের মধ্যে দিয়ে স্বকীয় মত প্রচার তার কাছে কঠিন ছিল না। আশা আছে, রবীন্দ্রনাথ হয়ত কোনদিন এ সমস্যার মীমাংসা করে দেবেন। আজ সকল কথা তার বুঝিনি, কিন্তু সেদিন হয়ত আমার নিজের সংশয়ের মীমাংসাও এর মধ্যে খুজে পাবো। কবি তার বাল্য জীবনের একটা ঘটনার উল্লেখ করেচেন, সে তার চোখের দৃষ্টিশক্তির ক্ষীণতা। এ তিনি জানতেন না। তাই, দুরের বন্ড যখন স্পষ্ট করে দেখতে পেতেন না, তার জন্যে মনের কোন অভাব-বোধও ছিল না। এটা বুঝলেন চোখে চশমা পরার পরে ! এবং এর পরে চশমা ছাড়াও আর গতি ছিল না । এমনিই হয় – এ-ই সংসারের স্বাভাবিক নিয়ম। বাঙলায় শিক্ষিত মন কেন যে ‘বিজয়-বসন্তে'র মধ্যে তার রসোপলব্ধি উপাদান আর খুজে পায় না, এই তার কারণ। এবং মনে হয় আধুনিক সাহিত্য বিচারেও এই সত্যটা মনে রাখা প্রয়োজন যে, সাহিত্য-রচনায় আর যাই কেন-না হোক, শ্লীলতা, শোভনতা, ভদ্র রুচি ও মাঞ্জিত মনের রসোপলব্ধিকে অকারণ দাম্ভিকতায় বারংবার আঘাত করতে থাকলে বাংলা-সাহিত্যের যত ক্ষতিই হোক, তাদের নিজেদের ক্ষতি হবে তার চেয়েও অনেক বেশী । সে আত্মহত্যারই নামান্তর । বলবার হয়ত অনেক কিছু আছে, কিন্তু আজকের দিনে আমি সাহিত্য-বিচারে প্রবৃত্ত হবে না। শেষের একটা নিবেদন । শ্রদ্ধা ও স্নেহের অভিনন্দন মন দিয়ে গ্রহণ করতে হয়, তার জবাব দিতে নেই। আপনার আমার পরিপূর্ণ কৃতজ্ঞতা গ্রহণ করুন।• S00DD BBBBD DDDDD DDBHD BBB DBD DDDSDDD BBD DDD DDDDDD ॐडtछ *यैिठ छांश५ ।। \లిe