প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (দ্বাদশ সম্ভার).djvu/৩৫২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


भंबश्-शiशिष्ठो-भ्रष्6धंड् wo আমার জন্মদিন উপলক্ষে কলেজের কর্তৃপক্ষ প্রিন্সিপ্যাল মহাশয় নিজে বসে আছেন, তোমরা ছাত্র-ছাত্ৰীয়া আছ ; তোমরা আমার দীর্ঘজীবন কামনা করলে, জামাকে আনন্দ দেবার জন্তু আমারই বই থেকে নাটকের কিছু কিছু অংশ অভিনয় করলে । এর জন্য তোমাদের সকলকে আমার স্নেহ-ভালবাসা জানাই । আমাকে আনন্দ দেবার জন্ত আজ তোমরা অনেকরকম আয়োজন করেচ-তোমাদের সমস্ত আয়োজন অন্তরে গ্রহণ করচি, কিন্তু অস্থস্থ শরীরে আর এই বুদ্ধকালে তোমাদের সব ব্যাপারে যোগ দেওয়ার জন্তু বেশীক্ষণ বসে থাকা আমার পক্ষে সম্ভবপর নয়। তাই, তোমাদের অভিনয়ের মাঝখানে বলতে হ’লো—আমাকে ছেড়ে দাও । তিনটায় বেরিয়েটি, বড় strain হচ্ছে, শরীর অত্যন্ত খারাপ । যখন বয়স বাড়ে, তখন স্থিরতা থাকে না । কোনদিন কে আছে কে নাই। আজ যখন স্বযোগ হ'লো, যখন তোমরা বঙ্গলে—৩১শে ভাদ্র আমাকে আসতে হবে বিদ্যাসাগর কলেজে, আমি রাজি হলাম এইজন্য যে, আসচে বছর এ-রকম সুযোগ হবে কি না জানি না । তোমাদের কাছে আমার আবেদন বল, নিবেদন বল এই—তোমরা যখন বড় হবে, তখন আমাদের নাম তোমাদের সামনে থাকবে কি না থাকবে জানি না। হয়ত দেশের রুচি তখন এমন বদলে যাবে, তোমরা সেগুলি পড়বে না। এটা আশ্চৰ্য্য নয়। জগতে এইরকম অনেক হয়, হয়েচে, সেগুলি পুরানো লাইব্রেরীতে থাকে, লোকে প্রশংসা করে, কিন্তু পড়ে না । বাঙাদেশের অনেক বড় গ্রন্থকারের ভাগ্যে এরকম ঘটেচে, হয়ত আমাদের ভাগ্যে সে রকম হতে পারে । যদি হয়, তবে আমি তাকে দুর্দিন মনে করব না। আমি মনে করব, দেশের সাহিত্য এত বড় হয়েচে, এত ভাল হয়েচে, এগুলি তার কাছে অকিঞ্চিৎকর । বাঙলাদেশের দু-একজনের ব্যক্তিগত জীবনই বড় নয়। বড় হচ্ছে জাতীয় সাহিত্য ও ভাষা। সে-সম্বন্ধে আমার যতটুকু চেষ্টা করেচি, তাকে যতটুকু বাড়াতে পেরেচি,—হয়ত পেরেচি, নইলে এত লোক আমাকে ভালবাসত না – করেচি, তা যদি না থাকে,—ধর আরও কুড়ি বৎসর পর- তা হলে সেটা যে ভাষায় পক্ষে দুৰ্দ্দিন তা বলব না। সে যাই হোক, নিজের যতটুকু শক্তি ছিল করেচি, বউট আৰু ছিল বেঁচেচি। তোমাদিগকে আশীৰ্ব্বাদ করি এবং বলি, ৰাঙলা-ৰে ভাষাতে জ্ঞান হওয়া অবধি কথা বলতে আরম্ভ করেচ, সেটা তোমাদের মাতৃভাষা। এর উপর ধেন কোনদিন তোমাদের অশ্রদ্ধা না হয়; এটা যেন তোমরা বাড়িয়ে তুলতে পার। বন্ধ লোকের চেষ্টায় একটা জিনিস বাড়ে ; তার মধ্যে একজন উচু হয়ে উঠে। বহু লোক সাহিত্যকে ভালবেলেচে, তার সাধনা করেচে, করে তারা এখন অনেক মাটির নীচে চাপা পড়েচে । তাদের নাম পৰ্য্যস্ত ভুলে গিয়েচে। কিন্তু শক্ত জমির উপর রবীন্দ্রনাথের প্রতিভা সম্ভবপর হয়েচে, আকস্মিক ব্যাপার কিছু নয়। সকলেরই কারণ থাকে, • הס\