প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (দ্বাদশ সম্ভার).djvu/৩৮৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পত্র-সঙ্কলন লিখেছ ঠিক তাই। সমাজপতির (সুরেশচন্দ্র সমাজপতির ) মত স্পষ্টবাদীতার ভান করে গালিগালাজ করা সত্যিই ভাল নয়। তবে, তুমি যা বলছ গুণের কথাই বলব, দোষ দেখাব না এটাও ঠিক নয়। দোষ দেখাব, কিন্তু বন্ধুর মত, শিক্ষকের মত । যেন সে নিজের দোষ দেখতে পায় । তা না ক’রে ঐ রকমের সমালোচনা –“অত্যন্ত কদৰ্য্য !" "কিছুই হয় নি” “পগুশ্রম” “কালি কলমের অপব্যবহার" ইত্যাদিকে সমালোচনা বলে না। কোথায় দোষ করিয়াছি, কোথায় ভূল হইয়াছে যদি যথার্থ বলিয়া দিয়া লেখকের উপকার করিতে পার ত কর, না হইলে ওরকম ওপরচালাকিতে কাজ হয় না, শুধু শত্রু বাড়ে । পুস্তকের সমালোচনা এমন করিয়া করা উচিত, যেন সেই সমালোচনাটাই একটা সাহিত্যিক প্রবন্ধ হয়। যেন সেটাই একটা পড়বার জিনিস হয় । তোমার চিঠিতে ফণীর অমুখের অবস্থা শুনে ভয় পেয়ে গেছি। স্বরেনও ঠিক ঐ কথাই লিখেছে। বাস্তবিক ফণীর অম্বখে যদি যমুনা’ বন্ধ হয়ে যায় সে ত বড় দুর্ঘটনা। আমি ঐ কাগজখানিকে বড় করিবার জন্য যে কত আশা করিয়া আছি, তাহা আর কি বলিব যদি তাহার change-এ যাওয়াই উচিত হয় ত তাই পরামর্শ দাও না কেন ? দুই-এক মাস ভাগলপুর কি মোজাফফরপুরের মত জায়গায় গিয়ে থাকলে বোধ হয় দেহটা শুধরে যেতে পারে, কিন্তু তার মধ্যে কাজটা চালাবে কে ? তবে তুমি যদি একটা কিছু উপায় ক’রে দাও ত হতে পারে বোধ হয়। বেচারী এক, অথচ, একটু কাগজের জন্য লোক রাখাও যায় না, সমস্তই একা করতে হয়, बग्न भूक्षिण ! আমার চাকরির চেষ্টা কক্ষ শুনে খুশী হলাম। সাহিত্যচর্চা করে পেট ভরে না ভাই। তা ছাড়া, ধর যদি এক মাস কিছু নাই লিখতে পারি, তা হলেই ত বিপদ । অত সংশয়ের পথে পা বাড়াতে ভাল বোধ হয় না। যাহোক মনে কফি পূজোর পর দু-এক মাসের ছুটি নিয়ে তোমাদের সঙ্গে দেখা করে আসব। সেই সময়ে মিস্থির মহাশয়ের সঙ্গেও দেখা করব। কিন্তু সেখানে চাকরি করতে আমি নারাজ। শুনি হাড়ভাঙ্গ খাটুনি—মাইনে কম। কে ঐ কম মাইনের জন্য হাড়ভাঙ্গ খাটবে, আর তাতে সাহিত্যচর্চাও বন্ধ হবে । সে অামি পারব না । ভাল কথা। এবার ‘সাহিত্যে' 'দাদা' বলে একটা গল্প পড়েছ ? কি ভীষণ লেখা ! সবাই জানে অকৃতজ্ঞতা বাজারে আছে, তাই ব'লে কি ঐ রকম করে লেখে ? ওতে কার কি উপকার হবে ? সমস্তটা পড়ে একটা বিতৃষ্ণার ভাবই আসে, शन खे' इह न। e:क गारिङ षणः शश् न-मै शब्रहे धावाइ नाहिाउ) शान् हण। ©ፃፃ ኣልማት÷÷®ሆ