পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (দ্বিতীয় সম্ভার).djvu/৩৪৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


नय-विशांनं মনে খুব আছে, কিন্তু কেউ কারুকে চিনিনে, তিনি আসবেন কেন আমার সঙ্গে ? শৈলেশ কহিল, না আসে নেই—নেই। তোর কি ? সঙ্গে বেহার। আর কি স্বাবে। আসবে না বললেই ফিরে আসবি । ভূতো আশ্চৰ্য্য হইয়া কিছুক্ষণ চুপ করিয়া থাকিয়া বলিল, আচ্ছা যাব। কিন্তু মারধোর না করে । শৈলেশ তাহার হাতে খরচপত্র এবং একটা চাৰি দিয়া কছিল, আজ রাত্রের ট্রেনে এলাহাবাদে যাচ্ছি। সাতদিন পরে ফিরব । যদি আসে এই চাবিটা দিয়ে ওই আলমারিটা দেখিয়ে ছিৰি। সংসার-খরচের টাকা রইল। পুরে একমাস চল চাই । ভূতনাথ রাজী হইয়া কহিল, আচ্ছ। কিন্তু হঠাৎ তোমার এ খেয়াল হ’ল কেন মেজা ? খাল খুঁড়ে কুমীর আনচ না ত ? 離 শৈলেশ চিস্তিতমুখে খানিকক্ষণ নিঃশব্যে থাকিয়া একটা নিশ্বাস ফেলিয়া কহিল, আসবেন নিশ্চয় । কিন্তু লোকতঃ ধৰ্ম্মতঃ একটা কিছু করা চাই ত ! হামবাজারে একটা খবর সূি। সোমেনকে যেন নিয়ে যায়। রাত্রের পাঞ্জাব মেলে শৈলেশ্বর এলাহাবাদ চলিয়া গেল। é نی নিকয়েক পরে একদিন ছুপুরবেল বাটীর দরজায় আসিয়া একখানা মোটর ৰামিল এবং মিনিট-দুই পরেই একটি বাইশ-তেইশ বছরের মহিলা প্রবেশ করিয়া ৰসিবার ঘরে আসিয়া উপস্থিত হইলেন। মেঝের কাপেটে বসিয়া সোমেন্দ্র একখানা মন্ত বাধানে এ্যালবাম হইতে তাহার নূতন মাকে ছবি দেখাইতেছিল ; সেই ই মহা আনন্দ্রে পরিচয় করাইয়া দিয়া বলিল, মা, পিসীমা। উষা উঠিয়া দাড়াইল। পরনে নিতাস্ত সাদা-সিধা একখানা রাঙা-পেড়ে শাড়ি, হাতে এবং গলায় সামান্ত দুই-একখানা গহনা, কিন্তু তাহার রূপ দেখিয়া বিজ্ঞা श्रवांकू हरेण । מסיסי