প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (নবম সম্ভার).djvu/২১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শেষ প্রশ্ন কেমন মা, বলিনি তোমাকে শিবনাথবাবু মস্ত লোক ? বলিনি যে, মণি এদের সঙ্গে আলাপ-পরিচয় থাকা জীবনে একটা ভাগ্যের কথা ? কন্য। আনন্দে মুখ প্রদীপ্ত করিয়া কহিল, ই বাবা, তুমি বলেছিলে। তুমি গাড়ী থেকে নেমেই আমাকে জানিয়েছিলে যে— কিন্তু দেখুন আশুবাবু— বক্তা অক্ষয়। সকলেই চকিত হইয়া উঠিলেন। অবিনাশ ব্যস্ত হইয়া বাধা দিবার চেষ্টা করিলেন, আহা, থাক্‌ না অক্ষয় । থাক না আজ ও-সব আলোচনা— অক্ষয় চোখ বুজিয়া চক্ষু-লজ্জার দায় এড়াইয় বার-কয়েক মাথা নাড়িলেন ; কহিলেন, না অবিনাশবাবু, চাপলে চলবে না। শিবনাথবাবুর সমস্ত ব্যাপার প্রকাশ করা আমি কৰ্ত্তব্য জ্ঞান করি। উনি— আহা হা, কর কি অক্ষয় । কৰ্ত্তব্য-জ্ঞান ত আমাদেরও আছে হে, হবে এখন আর একদিন । বলিয়া অবিনাশ তাহাকে একটা ঠেলা দিযা থামাইবার চেষ্ট৷ করিলেন, কিন্তু সফল হইলেন না। ধাক্কায় অক্ষয়ের দেহ টলিল, কিন্তু কৰ্ত্তব্য-নিষ্ঠা টলিল না । বলিলেন, আপনার জানেন বৃথা সঙ্কোচ আমার নেই। দুর্নীতির প্রশ্রয় আমি দিতেই পারিনে । অসহিষ্ণু হরেন্দ্র বলিয়| উঠিল, সে কি আমরাই দিতে চাই না কি ? কিন্তু তার কি স্থান-কাল নেই ? অক্ষয় কহিলেন, না । উনি এ সহরে যদি আর না আসতেন, যদি ভদ্র-পরিবারে ঘনিষ্ঠ হবার চেষ্ট না করতেন, বিশেষতঃ কুমারী মনোরমা যদি না সংশ্লিষ্ট থাকতেন— উদ্বেগে আশুবাবু ব্যাকুল হইয়া উঠিলেন এবং অজানা শঙ্কায় মনোরমার মুখ ফ্যাকাশে হইয় গেল ।

  • Coff offs, it is too much অক্ষয় সজোরে প্রতিবাদ করিলেন, no, it is not. অবিনাশ বলিয়া উঠিলেন, আহা হা—করচ কি তোমরা ? অক্ষয় কোন কথাই কানে তুলিলেন না, বলিলেন, আগ্ৰায উনিও একদিন প্রফেসর ছিলেন। ওঁর বলা উচিত ছিল আশুবাবুকে কি করে সে চাকরি গেল ।

হরেন্দ্ৰ কহিল, স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিলেন। পাথরের ব্যবসা করবার জন্য । অক্ষয় প্রতিবাদ করিলেন, মিছে কথা । শিবনাথ নিঃশব্দে আহার করিতেছিল, যেন এইসকল বাদ-বিতণ্ডার সহিত তাহার সম্বন্ধ নাই। এখন মুখ তুলিয়া চাহিল এবং অত্যন্ত সহজভাবে বলিল, মিছে >> ఏā=R